Ranveer Singh

‘ধুরন্ধর’-এ ভারতীয় গুপ্তচর হিসাবে দাপিয়ে বেড়ালেন হামজ়া, বাস্তবে পাকিস্তানের সঙ্গে কী ‘যোগসূত্র’ রণবীরের?

‘ধুরন্ধর’ ছবিতে একেবারে পাকিস্তানের অন্দরে ঢুকে গুপ্তচরবৃত্তি করতে দেখা যায় হামজ়াকে। বাস্তবের রণবীরের সঙ্গেও রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একটি যোগসূত্র।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৭:১৪
Before Dhurandhar Success Ranveer Singh Has a Pakistan Connection through his family

পাকিস্তানের সঙ্গে কী সূত্রে যোগ রণবীরের? ছবি: সংগৃহীত।

বক্সঅফিসে সাড়া জাগানো সাফল্য পেয়েছে ‘ধুরন্ধর’। প্রথম ও দ্বিতীয় দুই পর্বেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন রণবীর সিংহ। ছবিতে গুপ্তচর হামজ়া আলির চরিত্রে দেখা যায় তাঁকে। একেবারে পাকিস্তানের অন্দরে ঢুকে গোপন কার্যকলাপ করতে দেখা যায় হামজ়াকে। বাস্তবের রণবীরের সঙ্গেও রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের যোগসূত্র। রণবীরের ঠাকুরমা ছিলেন পাকিস্তানের অভিনেত্রী নাম চাঁদ বার্ক।

Advertisement

সাদাকালো যুগের এই নায়িকার ইচ্ছা ছিল, তাঁর ছেলেও অভিনয়জগতে আসুক। কিন্তু মায়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বড় হয়ে বাবার মতো ব্যবসায়ী হন ছেলে। মায়ের সিনেমা নিয়ে তাঁর বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল না। কিন্তু বেশ কয়েক দশক পরে অতীতের নায়িকা চাঁদ বার্কের ইচ্ছা পূরণ করেন তাঁর নাতি বিট্টু, যিনি বলিউডের প্রথম সারির নায়ক রণবীর সিংহ। রণবীরের ঠাকুরমা চাঁদের জন্ম ১৯৩২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের ঝুমরাহ-তে। এখন এই অঞ্চল পাকিস্তানের অন্তর্গত। চাঁদের বাবা-মা ছিলেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

১৯৪৬ সালে চোদ্দ বছর বয়সে প্রথম পঞ্জাবি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। সে ছবির নাম ছিল ‘কহাঁ গয়ে’। কয়েক দিনের মধ্যেই প্রথম ছবির পরিচালক নিরঞ্জনকে বিয়ে করেন চাঁদ। বিয়ের পরে বেশ কয়েকটি পঞ্জাবি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে তিনি ছিলেন পঞ্জাবি ছবির পরিচিত মুখ। অভিনয়ের সঙ্গে নাচেও তিনি ছিলেন সমান দক্ষ। তাঁকে বলা হত ‘ডান্সিং লিলি অফ পঞ্জাব’। রণবীর তাঁর অনবদ্য নাচের প্রতিভা নাকি পেয়েছেন ঠাকুরমায়ের কাছ থেকেই। নাতির নায়ক হওয়া অবশ্য দেখে যেতে পারেননি ঠাকুরমা। রণবীর অভিনয় শুরু করার দু’বছর আগে, ২০০৮ সালে প্রয়াত হন অতীতের তারকা চাঁদ। তাঁর বিশ্বাস ছিল, আদরের নাতি ‘বিট্টু’ একদিন সফল তারকা হবেন। ঠাকুরমার সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন নাতি।

Advertisement
আরও পড়ুন