Madhuri Dixit Birthday

আমার একটাই ইচ্ছে, মাধুরী দীক্ষিতকে এক বার ‘ডেট’-এ নিয়ে যেতে চাই, ঐন্দ্রিলাও জানে

১৫ মে মাধুরী দীক্ষিতের জন্মদিন। বহু পুরুষের স্বপ্নের রানি তিনি। অভিনেত্রীর জন্মদিনে তাঁর প্রতি বিশেষ ভাল লাগার কথা ভাগ করে নিলেন অঙ্কুশ হাজরা।

Advertisement
অঙ্কুশ হাজরা
শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ০৮:৫২
মাধুরীর জন্মদিনে মনের কথা উজাড় করলেন অঙ্কুশ।

মাধুরীর জন্মদিনে মনের কথা উজাড় করলেন অঙ্কুশ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আমরা যে সময়ে বড় হয়েছি, তখন বহু পুরুষের ‘স্বপ্নের রানি’ ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। আমার ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হওয়ার কোনও কারণ নেই। ঐন্দ্রিলাও জানে, নায়িকা মাধুরী শুধু নয়, নৃত্যশিল্পী মাধুরীর প্রতিও আমার আলাদাই দুর্বলতা আছে। পর্দায় দেখতেই কী ভাল লাগত, তাই না!

Advertisement

আমার বেড়ে ওঠার সময়টায় তখন টেলিভিশনে সিনেমা দেখার চল। রবিবারগুলোয় মাধুরীর ছবি দেখতাম। ‘বেটা’, ‘তেজ়াব’, ‘হম আপকে হ্যায় কৌন’— কত ছবির নাম করব! আমি তো ছোটবেলা থেকে নাচ করতে ভালবাসি। নাচ শিখি। তাই আরও এক অন্য আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল। আমি তো মনে করি, ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে সবার ওঁর থেকে অভিব্যক্তি শেখা উচিত।

একটা নাচের দৃশ্যে অভিব্যক্তি ঠিক রেখে পুরোটা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, সেটা কিন্তু কম কিছু নয়। আমার কখনও দেখা হয়নি ওঁর সঙ্গে। মুম্বইয়ে গিয়ে যখন কর্মশালায় যোগ দিয়েছি, ওখানে বেশ অনেক দিন ছিলাম। সুযোগ হয়নি ওঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার। কখনও, কোনও দিন দেখা হলে কী বলব, সেটাও জানি না। তবে সুযোগ পেলে ‘ডেট’-এ নিয়ে যেতে চাই। ঐন্দ্রিলা জানে, মাধুরীকে নিয়ে আমার পাগলামির কথা।

তখন আমি বর্ধমানে থাকি। কলকাতায় আসিনি। তখন তো ‘এলই়ডি’ টেলিভিশনের চল শুরু হয়নি। বরং বক্স টেলিভিশনই সবার বাড়িতে। আর ছিল ভিসিআর। তাতে ক্যাসেট চালিয়ে গান শোনা হত। আমি তখন ভিডিয়ো ক্যাসেট কিনতাম। আর মাধুরীর ছবির গান চালিয়ে নাচতাম। মা ভীষণ রেগে যেতেন! কিন্তু ওটাই মজা ছিল। পরে যখন অভিনয়জীবন শুরু করি, তখন মনে হয়েছিল, এক দিন না এক দিন ‘ড্রিম গার্ল’-এর সঙ্গে দেখা হবে। দেখি, আমার সেই আশা কবে পূরণ হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন