Diljit Dosanjh

অ্যাকাউন্টে কত টাকা, তার কোনও হিসাব নেই! নেশার মতো অর্থ উপার্জন করেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ?

পঞ্জাবি শিল্পী জানিয়েছেন, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে, তা নাকি তিনি জানেনই না। এমনকি, নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সরাসরি ব্যবহার করার সুবিধাও নাকি তাঁর কাছে নেই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪০
Diljit Dosanjh says that he does not know his bank balance

নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার সুবিধাও নেই দিলজিতের কাছে? ছবি: সংগৃহীত।

টাকা রোজগার একসময় নেশায় পরিণত হয়েছিল। কয়েক দিন আগে এমন মন্তব্য করেছিলেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ। এ বার টাকাপয়সা নিয়ে তিনি এমন একটি মন্তব্য করেছেন, যা শুনে অবাক অনুরাগীরা। পঞ্জাবি শিল্পী জানিয়েছেন, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে, তা নাকি তিনি জানেনই না। এমনকি, নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সরাসরি ব্যবহার করার সুবিধাও নাকি তাঁর কাছে নেই।

Advertisement

সম্প্রতি এক অনুরাগী সমাজমাধ্যমের প্রশ্নোত্তর পর্বে দিলজিতের ‘ব্যাঙ্ক ব্যালান্স’ জানতে চান। উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে, আমি কিছুই জানি না। আপনারা হয়তো ভাববেন, আমি মিথ্যা বলছি। কিন্তু সত্যিই আমি কিছু জানি না। আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সরাসরি ব্যবহার করার সুযোগও আমার কাছে নেই। টাকা কোথা থেকে আসে, কোথায় যায়, কখন আসে বা কখন যায়— এ সবের কিছুই আমি জানি না। আমি শুধু যদি কিছু কিনতে চাই, তখন আমার সহযোগী দলকে জিজ্ঞাসা করি, ‘টাকা আছে তো?’ ওরা যদি বলে টাকা আছে, তা হলে সেটা আমি কিনে নিই।”

দিলজিৎ জানান, তাঁর সব ধরনের আর্থিক বিষয় তাঁর সহযোগী দলই সামলায়। শিল্পীর কথায়, “আমরা যখন বড় কোনও অনুষ্ঠান করি, তখন দেখে নিই যে, সেটা করার মতো টাকা আমাদের আছে কি না, এবং সকলকে তাঁদের পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি না। এর বাইরে আমি নিজের টাকাপয়সা নিয়ে কিছুই জানি না। এটাই সত্যি। আমি কত কর দিই বা কত টাকা পাই, সেটাও জানি না।”

একসময় দিলজিৎ জানিয়েছিলেন, অর্থ উপার্জন করা তাঁর নেশা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি বলেছেন, “শেষপর্যন্ত টাকা তো এখানেই থেকে যাবে। কেউই টাকা নিয়ে পরলোকে যেতে পারবে না। এখন অনেকে বলবেন, টাকা থাকলেই এ সব কথা বলা সহজ। আমি সেটা বুঝতে পারছি। কিন্তু এটাও সত্যি, পৃথিবীর বেশিরভাগ অশান্তির মূলে টাকাই রয়েছে। টাকা ক্ষমতা এনে দেয়। সবকিছুই আসলে অর্থকে ঘিরে।”

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে দিলজিৎ জানিয়েছিলেন, তাঁর শৈশব বেশ দারিদ্রেই কেটেছে। অভাব দেখেছিলেন বলেই বড় হয়ে অর্থ উপার্জনের ইচ্ছা তৈরি হয়েছিল তাঁর।

Advertisement
আরও পড়ুন