Elnaaz Nouruzi

শরণার্থী শিবিরে মিলত না পর্যাপ্ত খাবার! একই শৌচালয়ে যেতেন সকলে, কী ভাবে জীবন ঘুরল এলনাজ়ের?

তেহরানের একটি ছোট্ট বাড়িতে গোটা পরিবারের সঙ্গে থাকতেন এলনাজ়। সেখান থেকে পালিয়ে তাঁরা যান জার্মানিতে। তখন তাঁরা থাকতেন শরণার্থী শিবিরে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ১০:০২
শরণার্থী শিবিরে থাকতেন এলনাজ।

শরণার্থী শিবিরে থাকতেন এলনাজ। ছবি: সংগৃহীত।

ফরাহ খান এ বার পৌঁছে গেলেন ইরানি অভিনেত্রী এলনাজ় নোরৌজ়ীর বাড়িতে। বলিউড প্রযোজককে নিজের জীবনের লড়াইয়ের কথা শোনালেন অভিনেত্রী। কী ভাবে শরণার্থী শিবির থেকে মুম্বইয়ে বিলাসবহুল বাসস্থান কিনলেন, সবটা জানালেন।

Advertisement

তেহরানের একটি ছোট্ট বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন এলনাজ়। সেখান থেকে পালিয়ে তাঁরা যান জার্মানিতে। তখন তাঁরা থাকতেন শরণার্থী শিবিরে। গত ১০ বছর ধরে একাই ভারতে থাকেন অভিনেত্রী। সাত বছর আগে ‘সেক্রেড গেমস্’ সিরিজ়ে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

এলনাজ়ের বাড়িতে এখনও রয়েছে ইরানের সংস্কৃতির ছোঁয়া। দেওয়ালে রয়েছে তাঁর শৈশবের ছবি। কিছু ছবি তেহরানের। কিছু ছবি জার্মানির। অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ভাল ছিলেন এলনাজ়। জার্মানির সেরা পড়ুয়াদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। নিজের শৈশবের কথা স্মরণ করে এলনাজ় বলেন, “লোকে ভাবত, আমরা খুবই ধনী। কিন্তু আসলে তা নয়। আমরা ইরানে খুব ছোট একটি বাড়িতে থাকতাম। তেহরানে নিজের শৈশবও আমার ভাল লাগত। তার পরে জার্মানি গিয়ে সব বদলে গেল। আমরা শরণার্থী হিসাবে ওখানে থাকতাম।” সেই সময়ে তাঁদের কাছে কোনও পরিচয়পত্র ছিল না। ছোট্ট একটি ঘরে চাপাচাপি করে থাকত গোটা পরিবার। রান্নাঘর ও শৌচালয় অন্য পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হত। এলনাজ় মনে করে বলেন, “আমরা খাবারের জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়াতাম। একটা আলু আর একটা ডিম দেওয়া হত আমাদের। ওটুকুই অনেক ছিল তখন। খুব কঠিন জীবন দেখেছি আমি। আমাদের কাছে কিছু ছিল না। শূন্য থেকে আমরা পথচলা শুরু করেছিলান।”

এলনাজ় পরে ‘মেড ইন হেভেন’-এর মতো ওয়েব সিরিজ়েও কাজ করেছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন