Abhishek Banerjee

জন্মান্ধ যমজ শিশুকন্যার দৃষ্টি ফিরল হায়দরাবাদে অস্ত্রোপচারের পরে, সৌজন্যে অভিষেকের সেবাশ্রয়

একেবারে নিম্নবিত্ত পরিবার। আর্থিক সামর্থ ছিল না। তবে সেবাশ্রয়ের মাধ্যমে অভিষেক বিষয়টি জানতে পেরে হস্তক্ষেপ করেন। তাঁর টিম যোগাযোগ করে হায়দরাবাদের একটি চক্ষু হাসপাতালে। সমস্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়। সেখান থেকে সবুজ সঙ্কেত আসার পরেই দুই শিশু-সহ মাকে পাঠানো হয় দক্ষিণ ভারতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ১৬:১০
After a critical operation initiated by Abhishek Banerjee, twin baby girls regained sight

হায়দরাবাদের হালপাতালে সফল অস্ত্রোপচারের পর (বাঁ দিকে) আলিফা খাতুন এবং রায়ানা খাতুন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিমবঙ্গের আট মাসের যমজ জন্মান্ধ শিশুকন্যার দৃষ্টি শক্তি ফিরল। সৌজন্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয়। শনিবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে সফল অস্ত্রোপচারের খবর জানিয়েছেন অভিষেক নিজেই।

Advertisement

আলিফা এবং রায়ানা খাতুন যমজ বোন। জন্ম থেকেই তাদের দৃষ্টি ছিল না। কোথাও সুরাহা না-পেয়ে গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় শিবিরে দুই কন্যাকে নিয়ে গিয়েছিলেন মা। চক্ষুবিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছিলেন, দুই শিশুকন্যারই দৃষ্টিশক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। এবং তা ব্যয়সাপেক্ষ।

একেবারে নিম্নবিত্ত পরিবারের সেই আর্থিক সামর্থ ছিল না। তবে সেবাশ্রয়ের মাধ্যমে অভিষেক বিষয়টি জানতে পেরে হস্তক্ষেপ করেন। তাঁর টিম যোগাযোগ করে হায়দরাবাদের একটি চক্ষু হাসপাতালে। সমস্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়। সেখান থেকে সবুজ সঙ্কেত আসার পরেই দুই শিশু-সহ মাকে পাঠানো হয় দক্ষিণ ভারতে।

অস্ত্রোপচারের পরে দুই শিশুকন্যার মা একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলেছেন, ‘‘জন্ম থেকেই ওরা অন্ধ ছিল। ভাবতেও পারিনি এই দিনটা আসবে। অভিষেকদাই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তাই এটা সম্ভব হল।’’

অভিষেক তাঁর এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘সেবাশ্রয়ের অঙ্গীকারের মাধ্যমে আট মাস বয়সি যমজ শিশু আলিফা ও রায়ানা খাতুনের দৃষ্টি পুনরুদ্ধারের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তারা জন্মগত অন্ধত্ব কাটিয়ে এমন এক ভবিষ্যতের পথে পা বাড়িয়েছে, যা আগে অসম্ভব বলে মনে করা হয়েছিল।’ সেবাশ্রয়ের প্রথম পর্বেও এমন বেশ কিছু জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগীরা সেরে উঠেছিলেন। তাঁদের কারও চিকিৎসা হয়েছিল কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে, কারও দক্ষিণ ভারতে। ফের একটি নজির তৈরি হল।

Advertisement
আরও পড়ুন