Donald Trump-Meloni photo op issue

চলচ্চিত্র ও শিল্পে ইটালি বরাবর সমৃদ্ধ করেছে আমেরিকাকে! ট্রাম্প-মেলোনির ‘ছবি’ বিতর্কে জাভেদের যুক্তি কতটা ঠিক?

আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাভেদ আখতার। বর্ষীয়ান গীতিকার স্পষ্ট করেছেন, ইটালির শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র বরাবর আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করেছে। ইতিহাস ঘাঁটলেও দেখা যাবে, ইটালির অভিনেতা, পরিচালক বা সঙ্গীতশিল্পীদের বড় অবদান আছে আমেরিকার অগ্রগতিতে। তাঁরা কারা?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ১০:০৪
০১ ১৭
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য নাকি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি নাকি ছবি তোলার জন্য ‘ভিক্ষা’ চেয়েছিলেন। নিজের হারিয়ে যাওয়া খ্যাতি ফেরানোর জন্য নাকি ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তুলেছেন তিনি। আমেরিকার প্রেসি়ডেন্টের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জাভেদ আখতার। বর্ষীয়ান গীতিকার স্পষ্ট করেছেন, ইটালির শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র বরাবর আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করে এসেছে। ইতিহাস ঘাঁটলেও দেখা যাবে, ইটালির অভিনেতা, পরিচালক বা সঙ্গীতশিল্পীদের বড় অবদান আছে আমেরিকার সাংস্কৃতিক অগ্রগতিতে।

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য নাকি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি নাকি ছবি তোলার জন্য ‘ভিক্ষা’ চেয়েছিলেন। নিজের হারিয়ে যাওয়া খ্যাতি ফেরানোর জন্য নাকি ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তুলেছেন তিনি। আমেরিকার প্রেসি়ডেন্টের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জাভেদ আখতার। বর্ষীয়ান গীতিকার স্পষ্ট করেছেন, ইটালির শিল্প, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র বরাবর আমেরিকাকে সমৃদ্ধ করে এসেছে। ইতিহাস ঘাঁটলেও দেখা যাবে, ইটালির অভিনেতা, পরিচালক বা সঙ্গীতশিল্পীদের বড় অবদান আছে আমেরিকার সাংস্কৃতিক অগ্রগতিতে।

০২ ১৭
 রবার্ট ডি নিরো: আমেরিকান অভিনেতা তথা পরিচালক জন্মসূত্রে ইটালীয়। রবার্ট ডি নিরোর বাবা ছিলেন ইটালীয় ব‌ংশোদ্ভূত। তাঁর মা ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত। তাঁর বাবা ও মায়ের প্রথম দেখা ম্যাসাচুসেট্‌স-এর এক ছবি আঁকার ক্লাসে। তাঁর বড় হওয়ায় ইটালি সংস্কৃতির যথেষ্ট ছাপ রয়েছে। নিরোর তাৎপর্যপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ছবি ‘দ্য গডফাদার পার্ট ২’। সেই ছবিতে সেরা পার্শ্বচরিত্রের জন্য অস্কার পেয়েছিলেন। এ ছাড়াও ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ ছবিতে সেরা অভিনেতার জন্য অস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। ‘রেজিং বুল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কারে সম্মানিতও হয়েছিলেন তিনি।

রবার্ট ডি নিরো: আমেরিকান অভিনেতা তথা পরিচালক জন্মসূত্রে ইটালীয়। রবার্ট ডি নিরোর বাবা ছিলেন ইটালীয় ব‌ংশোদ্ভূত। তাঁর মা ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত। তাঁর বাবা ও মায়ের প্রথম দেখা ম্যাসাচুসেট্‌স-এর এক ছবি আঁকার ক্লাসে। তাঁর বড় হওয়ায় ইটালি সংস্কৃতির যথেষ্ট ছাপ রয়েছে। নিরোর তাৎপর্যপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ছবি ‘দ্য গডফাদার পার্ট ২’। সেই ছবিতে সেরা পার্শ্বচরিত্রের জন্য অস্কার পেয়েছিলেন। এ ছাড়াও ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ ছবিতে সেরা অভিনেতার জন্য অস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। ‘রেজিং বুল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কারে সম্মানিতও হয়েছিলেন তিনি।

০৩ ১৭
সোফিয়া লোরেন: ১৯৩৪ সালে ইটালির রোমে অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম অভিনেত্রীর। বড় হয়ে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় যোগ দেন এবং অভিনয়ে পা রাখেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শরীরী আবেদনের জন্যও বার বার উঠে এসেছে তাঁর নাম। আমেরিকান ছবির সঙ্গে ইউরোপীয় ছবিতেও ছাপ রেখেছিলেন। ভিট্টোরিও ডি সিকা’র ‘টু উইমেন’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে অস্কার পেয়েছিলেন তিনি। সোফিয়ার বিখ্যাত ছবির তালিকায় রয়েছে ‘সানফ্লাওয়ার’, ‘হাউজ়বোট’, ‘দ্য ফল অফ দ্য রোমান এম্পায়ার’-এর মতো ছবি।

সোফিয়া লোরেন: ১৯৩৪ সালে ইটালির রোমে অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম অভিনেত্রীর। বড় হয়ে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় যোগ দেন এবং অভিনয়ে পা রাখেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শরীরী আবেদনের জন্যও বার বার উঠে এসেছে তাঁর নাম। আমেরিকান ছবির সঙ্গে ইউরোপীয় ছবিতেও ছাপ রেখেছিলেন। ভিট্টোরিও ডি সিকা’র ‘টু উইমেন’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে অস্কার পেয়েছিলেন তিনি। সোফিয়ার বিখ্যাত ছবির তালিকায় রয়েছে ‘সানফ্লাওয়ার’, ‘হাউজ়বোট’, ‘দ্য ফল অফ দ্য রোমান এম্পায়ার’-এর মতো ছবি।

Advertisement
০৪ ১৭
বার্নার্ডো বার্তোলুচি: ইটালির রোমে জন্ম এই পরিচালকের। বার্তোলুচির বাবাও পেশায় কবি, চিত্রসমালোচক ও পরিচালক ছিলেন। সেই আবহেই বড় হয়ে ওঠা। বার্তোলুচির ছবিতে রাজনীতি, মনস্তত্ত্ব, যৌনতা এক অন্য রূপ পেয়েছিল বলে মনে করেন সমালচকেরা। ইউরোপের আর্ট ফিল্মের সঙ্গে মূলধারার ছবির মিশেলে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বার্তোলুচির গুরুত্বপূর্ণ ছবির মধ্যে রয়েছে ‘দ্য কমফর্মিস্ট’, ‘১৯০০’, ‘দ্য শেল্টারিং স্কাই’, ‘লিট্‌ল বুদ্ধ’। তাঁর আর একটি বিখ্যাত ছবি ‘দ্য লাস্ট এম্পেরর’ ৯টি অস্কার পেয়েছিল।

বার্নার্ডো বার্তোলুচি: ইটালির রোমে জন্ম এই পরিচালকের। বার্তোলুচির বাবাও পেশায় কবি, চিত্রসমালোচক ও পরিচালক ছিলেন। সেই আবহেই বড় হয়ে ওঠা। বার্তোলুচির ছবিতে রাজনীতি, মনস্তত্ত্ব, যৌনতা এক অন্য রূপ পেয়েছিল বলে মনে করেন সমালচকেরা। ইউরোপের আর্ট ফিল্মের সঙ্গে মূলধারার ছবির মিশেলে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বার্তোলুচির গুরুত্বপূর্ণ ছবির মধ্যে রয়েছে ‘দ্য কমফর্মিস্ট’, ‘১৯০০’, ‘দ্য শেল্টারিং স্কাই’, ‘লিট্‌ল বুদ্ধ’। তাঁর আর একটি বিখ্যাত ছবি ‘দ্য লাস্ট এম্পেরর’ ৯টি অস্কার পেয়েছিল।

০৫ ১৭
মার্চেলো মাস্ত্রোইয়ানি: ইটালিতে জন্ম অভিনেতার। রোমেই তাঁর বড় হওয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে নানা ধরনের কাজ করেছিলেন তিনি। অবশেষে নাটকে যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই অভিনয়ের সফর শুরু। ইটালির চলচ্চিত্রজগতেই বেশ কিছু বিখ্যাত কাজ রয়েছে তাঁর। ফেডেরিকো ফেলিনি ও মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিয়োনির সঙ্গে জোট বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন তিনি। ইটালি ও ইউরোপের ছবিতেই তিনি বেশি পরিচিত। তবে হলিউডেও রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তার মধ্যে রয়েছে ‘লা দোলচে ভিতা’, ‘ডিভোর্স ইটালিয়ান স্টাইল’, ‘আ স্পেশাল ডে’, ‘ডার্ক আইজ়’, ‘রেডি টু ওয়্যার’।

মার্চেলো মাস্ত্রোইয়ানি: ইটালিতে জন্ম অভিনেতার। রোমেই তাঁর বড় হওয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে নানা ধরনের কাজ করেছিলেন তিনি। অবশেষে নাটকে যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই অভিনয়ের সফর শুরু। ইটালির চলচ্চিত্রজগতেই বেশ কিছু বিখ্যাত কাজ রয়েছে তাঁর। ফেডেরিকো ফেলিনি ও মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিয়োনির সঙ্গে জোট বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন তিনি। ইটালি ও ইউরোপের ছবিতেই তিনি বেশি পরিচিত। তবে হলিউডেও রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তার মধ্যে রয়েছে ‘লা দোলচে ভিতা’, ‘ডিভোর্স ইটালিয়ান স্টাইল’, ‘আ স্পেশাল ডে’, ‘ডার্ক আইজ়’, ‘রেডি টু ওয়্যার’।

Advertisement
০৬ ১৭
ভিট্টোরিয়ো ডি সিকা: ১৯৪৮ সালে তৈরি শুধু ‘বাইসাইকেল থিফ’ ছবিটির জন্যই সিনেমা বিশ্বে অমর হয়ে থাকবেন ইটালীয় এই পরিচালক। ইটালির সোরাতে জন্ম পরিচালকের। প্রথমে অভিনয়, তার পরে ছবি তৈরি করা শুরু করেন তিনি। ইটালীয় সিনেমায় নিওরিয়্যালিজ়ম ধারায় তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, যা নিয়ে আজও আলোচনা হয়। কোনও তৈরি করা সেট নয়, বাস্তবিক লোকেশনে ছবি তৈরি করেছেন ডি সিকা। তাঁর ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন দেশবিদেশের পরিচালকেরা। শোনা যায়, বিদেশে বসে ‘বাইসাইকেল থিফ’ দেখেই সত্যজিৎ রায় ‘পথের পাঁচালী’ তৈরির প্রথম অনুপ্রেরণা পান। সিকা’র অন্য গুরুত্বপূর্ণ ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘উমবের্তো ডি’, ‘শুশাইন’, ‘মির‌্যাকল ইন মিলান’, ‘সানফ্লাওয়ার’। সোফিয়া লোরেন অভিনীত ‘টু উইমেন’ ছবিটিও তাঁরই পরিচালিত।

ভিট্টোরিয়ো ডি সিকা: ১৯৪৮ সালে তৈরি শুধু ‘বাইসাইকেল থিফ’ ছবিটির জন্যই সিনেমা বিশ্বে অমর হয়ে থাকবেন ইটালীয় এই পরিচালক। ইটালির সোরাতে জন্ম পরিচালকের। প্রথমে অভিনয়, তার পরে ছবি তৈরি করা শুরু করেন তিনি। ইটালীয় সিনেমায় নিওরিয়্যালিজ়ম ধারায় তাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, যা নিয়ে আজও আলোচনা হয়। কোনও তৈরি করা সেট নয়, বাস্তবিক লোকেশনে ছবি তৈরি করেছেন ডি সিকা। তাঁর ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন দেশবিদেশের পরিচালকেরা। শোনা যায়, বিদেশে বসে ‘বাইসাইকেল থিফ’ দেখেই সত্যজিৎ রায় ‘পথের পাঁচালী’ তৈরির প্রথম অনুপ্রেরণা পান। সিকা’র অন্য গুরুত্বপূর্ণ ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘উমবের্তো ডি’, ‘শুশাইন’, ‘মির‌্যাকল ইন মিলান’, ‘সানফ্লাওয়ার’। সোফিয়া লোরেন অভিনীত ‘টু উইমেন’ ছবিটিও তাঁরই পরিচালিত।

০৭ ১৭
জিনা লোলোব্রিজিদা: ইটালিতে জন্ম অভিনেত্রীর। ভাস্কর্য নিয়ে পড়াশোনা তাঁর। ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের অন্যতম তারকা ছিলেন তিনি। তাঁর সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়দক্ষতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইটালীয় চলচ্চিত্রকে জনপ্রিয় করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সোফিয়া লোরেনের মতোই তিনিও ইটালীয় সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। ‘বিট দ্য ডেভিল’, ‘সলোমন অ্যান্ড শেবা’, ‘কাম সেপ্টেম্বর’ ‘উয়োম্যান অফ স্ট্র’ তাঁর ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রগ্রাহক হিসাবেও নাম করেছিলেন।

জিনা লোলোব্রিজিদা: ইটালিতে জন্ম অভিনেত্রীর। ভাস্কর্য নিয়ে পড়াশোনা তাঁর। ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের অন্যতম তারকা ছিলেন তিনি। তাঁর সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়দক্ষতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইটালীয় চলচ্চিত্রকে জনপ্রিয় করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সোফিয়া লোরেনের মতোই তিনিও ইটালীয় সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। ‘বিট দ্য ডেভিল’, ‘সলোমন অ্যান্ড শেবা’, ‘কাম সেপ্টেম্বর’ ‘উয়োম্যান অফ স্ট্র’ তাঁর ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রগ্রাহক হিসাবেও নাম করেছিলেন।

Advertisement
০৮ ১৭
ফেডেরিকো ফেলিনি: ইটালির রিমিনিতে জন্ম তাঁর। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছবি আঁকা, গল্প বলা এবং বিনোদন জগতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ শুরু করেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁর চলচ্চিত্রজীবনের সূচনা। বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসে তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসাবে বিবেচিত। তাঁর ‘লা স্ট্রাডা’, ‘নাইটস অফ ক্যাবিরিয়া’, ‘লা দোলচে ভিতা’ ও ‘এইট অ্যান্ড হাফ’ সেরা বিদেশি ছবি হিসেবে অস্কার জেতে। এই ছবিগুলোয় মানবজীবনের আকাঙ্ক্ষা, সমাজের পরিবর্তন, আধ্যাত্মিকতা গভীর ভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। সরাসরি হলিউডে কাজ করেননি তিনি। তবে তাঁর কাজের প্রভাব ছিল হলিউডের উপর। বিশ্ব সিনেমায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফেলিনিকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কারে সম্মানিত করে অস্কার কমিটি।

ফেডেরিকো ফেলিনি: ইটালির রিমিনিতে জন্ম তাঁর। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছবি আঁকা, গল্প বলা এবং বিনোদন জগতের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ শুরু করেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁর চলচ্চিত্রজীবনের সূচনা। বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসে তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসাবে বিবেচিত। তাঁর ‘লা স্ট্রাডা’, ‘নাইটস অফ ক্যাবিরিয়া’, ‘লা দোলচে ভিতা’ ও ‘এইট অ্যান্ড হাফ’ সেরা বিদেশি ছবি হিসেবে অস্কার জেতে। এই ছবিগুলোয় মানবজীবনের আকাঙ্ক্ষা, সমাজের পরিবর্তন, আধ্যাত্মিকতা গভীর ভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। সরাসরি হলিউডে কাজ করেননি তিনি। তবে তাঁর কাজের প্রভাব ছিল হলিউডের উপর। বিশ্ব সিনেমায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফেলিনিকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কারে সম্মানিত করে অস্কার কমিটি।

০৯ ১৭
সের্গিও লিয়োনি: ১৯২৯ সালে ইটালিতে জন্ম পরিচালকের। তিনি চলচ্চিত্রের আবহেই বড় হয়েছিলেন। সের্গিও’র বাবা ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং মা ছিলেন অভিনেত্রী। শৈশব থেকেই তিনি চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীকালে সহকারী পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ করেন এবং অবশেষে নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করা শুরু করেন। সের্গিও লিয়োনি মূলত ‘স্প্যাগেটি ওয়েস্টার্ন’ ধারার চলচ্চিত্রকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য পরিচিত। ইটালীয় হলেও আমেরিকার সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবি ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আমেরিকা’। বলা হয়, কোয়েন্টিন টারান্টিনোও তাঁর ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

সের্গিও লিয়োনি: ১৯২৯ সালে ইটালিতে জন্ম পরিচালকের। তিনি চলচ্চিত্রের আবহেই বড় হয়েছিলেন। সের্গিও’র বাবা ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং মা ছিলেন অভিনেত্রী। শৈশব থেকেই তিনি চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীকালে সহকারী পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ করেন এবং অবশেষে নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করা শুরু করেন। সের্গিও লিয়োনি মূলত ‘স্প্যাগেটি ওয়েস্টার্ন’ ধারার চলচ্চিত্রকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য পরিচিত। ইটালীয় হলেও আমেরিকার সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবি ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আমেরিকা’। বলা হয়, কোয়েন্টিন টারান্টিনোও তাঁর ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

১০ ১৭
ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা: ডেট্রয়েটে জন্ম তাঁর। তবে তিনি ইটালীয় বংশোদ্ভূত। মায়ের দিকের পরিবার ছিলেন ইটালির। শৈশবে তিনি পোলিও রোগে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘ সময় ঘরের ভিতর কাটাতে বাধ্য হন। এই সময়েই গল্প বলা, নাটক এবং চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। পরে তিনি নাটক ও চলচ্চিত্রের বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ক্রমশ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন। তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ছবি ‘দ্য গডফাদার’, ‘দ্য কনভারসেশন’, ‘অ্যাপোক্যালিপস নাও’, ‘ব্রাম স্ট্রোকারস ড্রাকুলা’।

ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা: ডেট্রয়েটে জন্ম তাঁর। তবে তিনি ইটালীয় বংশোদ্ভূত। মায়ের দিকের পরিবার ছিলেন ইটালির। শৈশবে তিনি পোলিও রোগে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘ সময় ঘরের ভিতর কাটাতে বাধ্য হন। এই সময়েই গল্প বলা, নাটক এবং চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। পরে তিনি নাটক ও চলচ্চিত্রের বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ক্রমশ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন। তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ছবি ‘দ্য গডফাদার’, ‘দ্য কনভারসেশন’, ‘অ্যাপোক্যালিপস নাও’, ‘ব্রাম স্ট্রোকারস ড্রাকুলা’।

১১ ১৭
আল পাচিনো: আমেরিকান অভিনেতা হিসাবে পরিচত হলেও তিনি ইটালীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর পুরো নাম আলফ্রেডো জেমস পাচিনো। ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা হিসাবে পরিচিত তিনি। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। চলচ্চিত্রে বড় সাফল্যের আগে তিনি মঞ্চে অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। ‘দ্য গডফাদার’, ‘দ্য গডফাদার পার্ট ২’, ‘ডগ ডে আফটারনুন’, ‘স্কারফেস’, ‘সেন্ট অফ আ উওম্যান’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এক বার অস্কার, একাধিক গোল্ডেন গ্লোব-সহ বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

আল পাচিনো: আমেরিকান অভিনেতা হিসাবে পরিচত হলেও তিনি ইটালীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর পুরো নাম আলফ্রেডো জেমস পাচিনো। ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেতা হিসাবে পরিচিত তিনি। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল। চলচ্চিত্রে বড় সাফল্যের আগে তিনি মঞ্চে অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। ‘দ্য গডফাদার’, ‘দ্য গডফাদার পার্ট ২’, ‘ডগ ডে আফটারনুন’, ‘স্কারফেস’, ‘সেন্ট অফ আ উওম্যান’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এক বার অস্কার, একাধিক গোল্ডেন গ্লোব-সহ বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

১২ ১৭
এনিয়ো মরিকোন: একাধিক কাউবয় ছবির অসাধারণ কিছু সুরসৃষ্টি করে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পান এই ইটালীয় বংশোদ্ভূত সুরকার। ‘দ্য ফিস্টফুল অফ ডলার্স’, ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আমেরিকা’, ‘চিনেমা পারাডিজ়ো’, ‘দ্য মিশন’, ‘দ্য আনটাচবল্‌স’, ‘দ্য ব্যাটল অফ আলজিয়ার্স’-এর মতো ছবিতে সুর করেছেন এনিয়ো। তাঁর সুরারোপিত ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’ (১৯৬৬) ছবির সুর ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় সাউন্ডট্র্যাক হিসাবে বিবেচিত। এর জন্য সেরা সুরকার হিসাবে দু’বার অস্কার পেয়েছেন এবং গ্র্যামি পুরস্কার পেয়েছেন চার বার। এ ছাড়াও তিন বার গোল্ডেন গ্লোব, ছ’বার বাফটা পুরস্কার লাভ করেছেন।

এনিয়ো মরিকোন: একাধিক কাউবয় ছবির অসাধারণ কিছু সুরসৃষ্টি করে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পান এই ইটালীয় বংশোদ্ভূত সুরকার। ‘দ্য ফিস্টফুল অফ ডলার্স’, ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’, ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আমেরিকা’, ‘চিনেমা পারাডিজ়ো’, ‘দ্য মিশন’, ‘দ্য আনটাচবল্‌স’, ‘দ্য ব্যাটল অফ আলজিয়ার্স’-এর মতো ছবিতে সুর করেছেন এনিয়ো। তাঁর সুরারোপিত ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’ (১৯৬৬) ছবির সুর ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় সাউন্ডট্র্যাক হিসাবে বিবেচিত। এর জন্য সেরা সুরকার হিসাবে দু’বার অস্কার পেয়েছেন এবং গ্র্যামি পুরস্কার পেয়েছেন চার বার। এ ছাড়াও তিন বার গোল্ডেন গ্লোব, ছ’বার বাফটা পুরস্কার লাভ করেছেন।

১৩ ১৭
নিনো রোটা: ১৯১১ সালে ইটালির মিলান শহরে জন্ম তাঁর। ছোটবেলা থেকেই তিনি সঙ্গীত প্রতিভার পরিচয় দেন তিনি। সুরকার, শিক্ষক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন নিনো রোটা। তাঁকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সুরকার হিসাবে মনে করা হয়। ‘গডফাদার’, ‘লা স্ট্রাডা’, ‘লা দোলচে ভিতা’র মতো ছবিতে সুরকার হিসাবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। ‘দ্য গডফাদার’-এর মাধ্যমে তিনি ইটালীয় সঙ্গীতকে আমেরিকার মূলধারার ছবিতে নিয়ে আসেন।

নিনো রোটা: ১৯১১ সালে ইটালির মিলান শহরে জন্ম তাঁর। ছোটবেলা থেকেই তিনি সঙ্গীত প্রতিভার পরিচয় দেন তিনি। সুরকার, শিক্ষক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন নিনো রোটা। তাঁকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সুরকার হিসাবে মনে করা হয়। ‘গডফাদার’, ‘লা স্ট্রাডা’, ‘লা দোলচে ভিতা’র মতো ছবিতে সুরকার হিসাবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। ‘দ্য গডফাদার’-এর মাধ্যমে তিনি ইটালীয় সঙ্গীতকে আমেরিকার মূলধারার ছবিতে নিয়ে আসেন।

১৪ ১৭
ম্যাডোনা: আমেরিকান পপ তারকাও ইটালীয় বংশোদ্ভূত। গায়িকার বাবার পরিবার ছিলেন ইটালির। মা ছিলেন ফরাসি পরিবারের। বিশ্বজোড়া খ্যাতি ম্যাডোনার। সাত বার গ্র্যামি পেয়েছেন ম্যাডোনা। গানের পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন তিনি। ‘এভিটা’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি।

ম্যাডোনা: আমেরিকান পপ তারকাও ইটালীয় বংশোদ্ভূত। গায়িকার বাবার পরিবার ছিলেন ইটালির। মা ছিলেন ফরাসি পরিবারের। বিশ্বজোড়া খ্যাতি ম্যাডোনার। সাত বার গ্র্যামি পেয়েছেন ম্যাডোনা। গানের পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন তিনি। ‘এভিটা’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি।

১৫ ১৭
লেডি গাগা: এই আমেরিকান পপতারকাও ইটালীয় বংশোদ্ভূত। লেডি গাগার বাবা ও মা দু’জনের পরিবারই ইটালির। ‘শ্যালো’ গানটির জন্য অস্কার পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে গ্র্যামি, গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা-র মতো পুরস্কারও। আমেরিকার সঙ্গীতজগতে ইটালীয় বংশোদ্ভূত শিল্পীর বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে রয়েছে, ‘জাস্ট ডান্স’, ‘পোকার ফেস’, ‘ব্যাড রোম্যান্স’স ‘বর্ন দিস ওয়ে’।

লেডি গাগা: এই আমেরিকান পপতারকাও ইটালীয় বংশোদ্ভূত। লেডি গাগার বাবা ও মা দু’জনের পরিবারই ইটালির। ‘শ্যালো’ গানটির জন্য অস্কার পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে গ্র্যামি, গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা-র মতো পুরস্কারও। আমেরিকার সঙ্গীতজগতে ইটালীয় বংশোদ্ভূত শিল্পীর বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে রয়েছে, ‘জাস্ট ডান্স’, ‘পোকার ফেস’, ‘ব্যাড রোম্যান্স’স ‘বর্ন দিস ওয়ে’।

১৬ ১৭
কোয়েন্টিন টারান্টিনো: পরিচালকের বাবা ছিলেন ইটালীয় বংশোদ্ভূত। ছোটবেলা থেকেই তাঁর চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তিনি প্রচলিত ফিল্ম প্রশিক্ষণ স্কুলে না গিয়ে প্রচুর ছবি দেখে এবং ভিডিয়োর দোকানে কাজ করে নিজের চলচ্চিত্র জ্ঞান তৈরি করেন। আধুনিক চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী নির্মাতা বলে পরিচিত তিনি। তাঁর ঝুলিতেও রয়েছে অস্কার, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের মতো সম্মান। তাঁর অন্যতম ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘পাল্প ফিকশন’, ‘কিল বিল’, ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড’, ‘ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’।

কোয়েন্টিন টারান্টিনো: পরিচালকের বাবা ছিলেন ইটালীয় বংশোদ্ভূত। ছোটবেলা থেকেই তাঁর চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তিনি প্রচলিত ফিল্ম প্রশিক্ষণ স্কুলে না গিয়ে প্রচুর ছবি দেখে এবং ভিডিয়োর দোকানে কাজ করে নিজের চলচ্চিত্র জ্ঞান তৈরি করেন। আধুনিক চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী নির্মাতা বলে পরিচিত তিনি। তাঁর ঝুলিতেও রয়েছে অস্কার, গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের মতো সম্মান। তাঁর অন্যতম ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘পাল্প ফিকশন’, ‘কিল বিল’, ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড’, ‘ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’।

১৭ ১৭
এই তালিকা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। হলিউডে কাজ করছেন এমন অসংখ্য শিল্পী আছেন, যাঁরা আসলে ইটালীয়। তাই জাভেদ আখতার যে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প ও মেলোনির ছবি তোলা বিতর্কে তা অনেকটাই যুক্তিযুক্ত।

এই তালিকা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। হলিউডে কাজ করছেন এমন অসংখ্য শিল্পী আছেন, যাঁরা আসলে ইটালীয়। তাই জাভেদ আখতার যে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প ও মেলোনির ছবি তোলা বিতর্কে তা অনেকটাই যুক্তিযুক্ত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি