Mimoh Chakrabarty on Dishani's engagement

বাগ্‌দান সেরেছেন মিঠুন-কন্যা দিশানী! ডিসেম্বরে বিয়ের আসর, কী কী পরিকল্পনা? জানালেন মিমো

আমেরিকাতেই বাগ্‌দান সারলেন মিঠুন-কন্যা। দীর্ঘ দিনের প্রেমিক মাইল্‌স ম্যান্টজ়ারিসের সঙ্গে বাগ্‌দান সেরেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এ বার মুখ খুললেন মিঠুন-পুত্র মিমো চক্রবর্তী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ২১:৫০
বোনের বিয়েতে কী পরিকল্পনা মিমোর?

বোনের বিয়েতে কী পরিকল্পনা মিমোর? ছবি: সংগৃহীত।

সম্প্রতি বাগ্‌দান সেরেছেন মিঠুন চক্রবর্তীর কন্যা দিশানী চক্রবর্তী। তিনি থাকেন লস অ্যাঞ্জেলেসে। ছোট থেকে অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছে তাঁর। সেখানেই নিউ ইয়র্ক ফিল্ম অ্যাকাডেমিতে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। আমেরিকাতেই বাগ্‌দান সারলেন মিঠুন-কন্যা। দীর্ঘ দিনের প্রেমিক মাইল্‌স ম্যান্টজ়ারিসের সঙ্গে বাগ্‌দান সেরেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এ বার মুখ খুললেন মিঠুন-পুত্র মিমো চক্রবর্তী।

Advertisement

বোনের বাগ্‌দান নিয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাড়ির সবাই খুব খুশি ওর আনন্দে। এখনও আমরা এই সুখবরের রেশ উপভোগ করছি। দিশানী আমাদের ছোট বোনের মতো। তাই এই খবর আমরা ভাইয়েরা তো আবেগপ্রবণ বটেই। তবে আমাদের বাবা-মা আরও বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। এমন মুহূর্তগুলোই বুঝিয়ে দেয় পরিবারের বন্ধন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মনে হচ্ছে, এই বছরটা আমাদের জন্য খুব ইতিবাচক।”

মিমো জানান, দিশানীর সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন। একটি অনলাইন কল-এর মাধ্যমে কথা হয়েছে তাঁদের। দিশানীর মুখে সুখবর পেয়েই আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি। হবু জামাইকে পরিবারের অংশ হিসেবে স্বাগত জানাতেও খুবই আগ্রহী মিমো। অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আমরা ভাইবোনেরা ভিডিয়ো কলে কথা বলেছি। ওকে এত খুশি দেখে এক জন দাদা হিসাবে আমার খুব ভাল লেগেছিল। কথা বলতে বলতে আমার চোখে জল চলে এসেছিল। এটা আমাদের জন্য খুব আবেগের মুহূর্ত।”

জানা যাচ্ছে, ৬ ডিসেম্বর বিয়ের পরিকল্পনা করেছেন দিশানী। তাই পরিবারের হাতে প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় রয়েছে। মিমো বলেন, “সেই বিশেষ দিনের প্রস্তুতির জন্য আমাদের হাতে সময় আছে। এখন অনেক কিছু পরিকল্পনা করা বাকি রয়েছে। দুই পরিবারের জন্যই অনেক কাজ রয়েছে। এ বার কোথায় বিয়ে হবে, ভারতে না কি আমেরিকায়, সেই সিদ্ধান্ত দিশানী এবং ওর হবু স্বামীর।”

মিমো জানান, এখন তাঁর মাথায় অনেক কিছু ঘুরছে। তিনি বলেন, “বিয়ে সব সময়ই বিশেষ একটি বিষয়। আর যখন এমন কেউ বিয়ে করে যাকে পুরো পরিবার ভালবাসে, তখন হইচই দ্বিগুণ বেড়ে যায়।” কী উপহার দেবেন বোনকে? মিমোর উত্তর, “উপহারের কথা বলতে গেলে, আমি এমন কিছু দিতে চাই যা ওর সঙ্গে সবসময় থাকবে। আমার স্ত্রী এ সব বিষয়ে খুব ভাল এবং পরিকল্পনা করতেও বেশি দক্ষ।” নিজের বোনের সঙ্গে দেখা করতে শীঘ্রই বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মিমোর। নিজের বিয়ের স্মৃতিও মনে পড়ে গিয়েছে মিমোর। সেই সময়ে ব্যস্ততা ছিল। কিন্তু বোনের বিয়ে পুরোদমে উপভোগ করবেন বলে আশা তাঁর।

উল্লেখ্য, মিঠুন ও যোগিতা বালী বিয়ে করেন ১৯৭৯ সালে। তাঁদের তিন পুত্রসন্তান — মিমো, উষ্মে ও নমোশি। তিন পুত্রের পরে কন্যাসন্তানের বাবা হন মিঠুন। দিশানীকে তিনি দত্তক নিয়েছিলেন। বহু বছর আগেকার কথা। কলকাতার রাস্তা থেকে এক শিশুকন্যাকে দেখতে পান কয়েক জন পথচারী। খবর যায় পুলিশের কাছে। উদ্ধার করা হয় ওই শিশুটিকে। তাকেই দত্তক নিয়েছিলেন মিঠুন ও যোগিতা।

Advertisement
আরও পড়ুন