কী হয়েছে সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের মায়ের? ছবি: ফেসবুক।
গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের মা। আনন্দবাজার ডট কম-কে অভিনেতা জানিয়েছেন, মূত্রনালিতে সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল শুরুতে। সেই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সারা শরীরে। বিষিয়ে উঠেছিল রক্ত। ২২ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁর মাকে। এখন আগের তুলনায় ভাল আছেন তিনি।
সময়টা মার্চ মাসের মাঝামাঝি। অনুষ্ঠান করতে সাহেব তখন অসমে। বাড়ি ফেরেন ২২ মার্চ। ফিরেই দেখেন, তাঁর স্ত্রী আতঙ্কিত। বাড়িতে চিকিৎসক। অভিনেতার কথায়, “স্ত্রী জানান, মায়ের প্রথমে মূত্রনালিতে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। চিকিৎসকের মতে, দ্রুত সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে সারা শরীরে। বিষিয়ে উঠছিল রক্ত। ক্রমশ অবসন্ন হয়ে পড়ছিলেন মা।” দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে সাহেব মাকে নিয়ে ভর্তি করে দেন প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালে।
২২ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত একবার বাড়ি, একবার হাসপাতালে সাহেব। “তার মধ্যেই বন্ধু রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে চলে গেল! আমার মাথা কাজ করছিল না”, বললেন মানসিক দিক থেকে বিপর্যস্ত অভিনেতা। টানা চিকিৎসার ফলে এখন আগের তুলনায় অনেকটাই ভাল তাঁর মা। “যদিও এখনও মায়ের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কম। অত্যন্ত দুর্বল। নিজে কিছুই করতে পারছেন না। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল”, জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি না হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন অভিনেতার মা। “বাড়িটা ইতিমধ্যেই ছোটোখাট হাসপাতাল হয়ে উঠেছে। মাকে সুস্থ করতে অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে শুরু করে আর যা যা প্রয়োজনীয় সব বাড়িতে মজুত। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মায়ের বাকি চিকিৎসা বাড়িতেই হতে পারে।”
শনিবার রাহুল অরুণোদয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিচার চেয়ে পথে নামছে টলিউড। এই পদযাত্রায় থাকার কথা সাহেবেরও। প্রসঙ্গ তুলতেই অভিনেতা বললেন, “মনে হচ্ছে পারব না। কারণ, মায়ের হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার কথা ওই একই দিনে। মাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকব।” তবে পদযাত্রায় যোগ দিতে না পারলেও তিনি সব সময় রাহুলের পাশে, এ কথা জানাতে ভোলেননি সাহেব।