Prateik Smita Patil's Cryptic Post

‘টাকার জন্য বাবাকে মনে পড়ে’, সৎভাই আর্য বব্বরকে এ বার কী জবাব দিলেন প্রতীক বব্বর?

আর্যের এই কটাক্ষের পরেই প্রতীক তাঁর সমাজমাধ্যমে একটি মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে নেটাগরিকের অনুমান প্রতীকের এই পোস্ট আর্যের জন্যই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৯:১৮
রাজ বব্বরের দুই ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব?

রাজ বব্বরের দুই ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব? ছবি: সংগৃহীত।

বাবার পদবি ত্যাগ করেছেন প্রতীক বব্বর। বর্তমানে তাঁর নাম প্রতীক স্মিতা পাটিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রতীককে নিয়ে মুখ খুলেছেন তাঁর সৎভাই আর্য বব্বর। রাজ বব্বরের প্রথম পক্ষের পুত্রের দাবি, টাকাপয়সার প্রয়োজন হলে তবেই নাকি প্রতীক বাবার খোঁজ নেন। এই অভিযোগে এ বার মুখ খুলেছেন প্রতীক।

Advertisement

আর্যের এই মন্তব্যের পরেই প্রতীক তাঁর সমাজমাধ্যমে একটি মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে নেটাগরিকের অনুমান প্রতীকের এই পোস্ট আর্যের জন্যই। প্রতীক লিখেছেন, “ভুল তথ্য কারও কারও খরচ মেটায়। অবশেষে কিছু মানুষ হয়তো সাফল্যের মুখ দেখবে।”

আর্য সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “স্মিতা মায়ের জন্য বাবা আমাদের ছেড়েছিলেন। তাঁর ছেলে বাবাকে সম্মান দিল না, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।’’ আর্য এ-ও জানান যে, প্রতীকের যখন টাকাপয়সার প্রয়োজন হয়, একমাত্র সেই সময়েই নাকি তিনি বাবার খোঁজ করেন। আর্য বলেন, ‘‘শুধু টাকার প্রয়োজনেই বাবার পরিচয় দিতে হয়! অন্য সময়ে বাবাকে সম্মান দিতে পারছে না! তবে আমরা এখনও প্রতীকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে রাজি। কিন্তু, ও মনে হয় আমাদের সঙ্গে আগের মতো মিশতে রাজি নয়।’’

অন্য দিকে, বিয়ের পরে প্রতীকের স্ত্রী প্রিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে জানিয়েছিলেন, খারাপ সময়ে বাবা বা বৈমাত্রেয় ভাই, কাউকেই পাশে পাননি প্রতীক। তাঁরা কখনও প্রতীককে আপন করে নিতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ছিল রাজ ও নাদিরার (প্রথম স্ত্রী) দাম্পত্য। বিচ্ছেদের পরে স্মিতা পাটিলের সঙ্গে বিয়ে রাজের। তার পরে ১৯৮৬-তে প্রতীকের জন্ম হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন