মালতীকে কী ভাবে বড় করছেন প্রিয়ঙ্কা? ছবি: সংগৃহীত।
দুই সংস্কৃতির প্রভাবে বড় হচ্ছে মালতী মেরী চোপড়া জোনাস। প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস যৌথ উদ্যোগে কন্যাকে মানুষ করছেন। ধর্মীয় অভ্যাস থেকে খাওয়াদাওয়া, কী ভাবে দুই দিক সামাল দিচ্ছে ছোট্ট মালতী?
২০২২ সালে সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম মালতীর। জন্মের সময়ে শারীরিক জটিলতা ছিল তার। দিন-রাত এক করে কন্যাকে সুস্থ করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা ও নিক। তার পর থেকে একরত্তিকে ঘিরেই তাঁদের জীবন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছেন, “ওকে ঘিরেই এখন আমার অস্তিত্ব। ও কখন স্কুলে যায়, ও কী করে— ওর মতো করে আমার জীবন চলে। আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি মালতী। আমার ও নিকের গুণগুলির প্রতিনিধিত্ব করে আমাদের মেয়ে।”
কন্যাকে বড় করতে নিকের অনেকটা অবদান আছে বলেও জানান প্রিয়ঙ্কা। তিনি ব্যস্ত থাকলে আমেরিকান তারকাই কন্যাকে সামলে নেন। প্রিয়ঙ্কার কথায়, “আমার স্বামী খুবই সহযোগিতা করে। আজকেও আমার ব্যস্ততার জন্য, আমার মেয়ের স্কুলে একটা বোকা বোকা ‘হেয়ার ডে’র প্রস্তুতি নিকই নিচ্ছে! নিক খুব সু্ন্দর করে চুল বেঁধে দিতে পারে। আমাদের সন্তান আমাদের কাছে চুম্বকের মতো।” ভারতীয় ও মার্কিন সংস্কৃতিতে বড় হচ্ছে মালতী। কী ভাবে সম্ভব হচ্ছে? প্রিয়ঙ্কার উত্তর, “আমি আমার সংস্কৃতিকে ভালবাসি। আমি ভারতকে খুব ভালবাসি। আমার খাওয়াদাওয়ার ধরনও খুব ভারতীয়। কিন্তু আমাদের পরিবার অর্ধেক মার্কিনও, সেটা তো স্বীকার করতেই হবে। দুটো সংস্কৃতিই মালতীর কাছে পরিচিত হোক, এটাই আমরা চাই।”
আমেরিকান পরিবারে নিজেকে মানিয়ে নিতে কোনও অসুবিধা হয়নি প্রিয়ঙ্কার। সহজেই সকলের সঙ্গে মিলেমিশে গিয়েছিলেন। নিকের কাছে ভারতীয় পরিবারের সংস্কৃতি সম্পূর্ণ নতুন ছিল। প্রিয়ঙ্কার কথায়, “নিকও ভারতকে খুব ভালবাসে ও শ্রদ্ধা করে। ও আমার পুজো-অর্চনা ও সমস্ত ধর্মীয় আচারে যোগ দেয়। একই উদ্দেশ্য ও দায়বদ্ধতা নিয়ে আমরা পরস্পরের ধর্মীয় রীতি পালন করি।”