(বাঁ দিকে) রজনীকান্ত, তলপতি বিজয়। (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।
১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন অভিনেতা তলপতি বিজয়। তাঁর সাফল্যে খুশি দক্ষিণী ছবির ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ। তবে বিজয়ের এমন সাফল্যে নীরব ছিলেন তাঁদের ‘তলাইভা’ রজনীকান্ত। প্রশ্ন উঠছিল, কেন নীরব রজনীকান্ত! অনেকেই মনে করতে শুরু করেন যে, তিনি নাকি বিজয়কে হিংসা করছেন। এ বার সেই প্রসঙ্গে কী করলেন রজনীকান্ত?
বিজয়ের দল জেতার পর শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান রজনীকান্ত। তবে বিজয়ের প্রচারপর্ব চলার সময়ে তাঁর জয় নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছিলেন রজনীকান্ত। তাই বিজয় জিততেই প্রশ্ন ওঠে, এ বার কেন চুপ রজনীকান্ত? অভিনেতাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়, বিজয়ের এমন সাফল্যে কি তিনি হিংসা করছেন? এর উত্তরে রজনীকান্ত সাফ বলেন, ‘‘না। আমার মানসিকতা এত ছোট নয়। আর আমি বিজয়কে হিংসা কেন করতে যাব? আমাদের বয়সের মধ্যে ২৫ বছরের ব্যবধান। আমরা একে অন্যকে যদি প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখি, সেটা আমাদের কারও জন্যই খুব একটা ভাল হবে না। হ্যাঁ, যদি কমল হাসন মুখ্যমন্ত্রী হতেন, তা হলে হয়তো হিংসা করার জায়গা থাকত।’’
পাশাপাশি বিজয়ের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রজনীকান্ত বলেন, “৫১ বছর বয়সেই এমজিআর এবং এনটিআর-এর চেয়েও বেশি সাফল্য অর্জন করেছেন বিজয়। শক্তিশালী রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় পেয়েছেন। এই বিষয়টাই আমার কাছে বিস্ময় ও আনন্দে ভরা এক অভিজ্ঞতা।’’ আসলে দক্ষিণভূমে সংসদীয় রাজনীতির ময়দানে লড়তে নামেন রজনীকান্ত ও কমল হাসনরা। কিন্ত, তাঁরা পারেননি। বিজয় তাঁদের উত্তরসূরি হয়ে যেন তাঁদেরই অপূর্ণ সাফল্য পেলেন।