রাজপালের কষ্টের দিনগুলি। ছবি: সংগৃহীত।
১২ দিন জেলে থাকার পরে মঙ্গলবার তিহাড় থেকে ছাড়া পান রাজপাল যাদব। সেখান থেকে সোজা উত্তরপ্রদেশে নিজের গ্রামে যান অভিনেতা। ভাইঝির বিয়েতে আনন্দ করতে দেখা যায় তাঁকে। ঋণ শোধ করতে না পেরে আত্মসমর্পণ করেছিলেন তিনি। জেলে থাকাকালীন বাকি বন্দিরা নাকি অভিনেতাকে কাছ থেকে দেখতে উদগ্রীব হয়ে উঠতেন। তবে জেলজীবন সহজ নয় মোটেই! কোন কষ্ট ভোগ করতে হয় অভিনেতাকে?
শোনা যায়, তিহাড়ে আর পাঁচটা বন্দি যেমন করে থাকে তেমন ভাবেই ছিলেন রাজপাল। বাড়তি কোনও সুবিধে পাননি। একদা ছোট রাজন যে কক্ষে ছিলেন, সেখানেই রাখা হয় অভিনেতাকে। ঘড়ি ধরে দেওয়া হত খাবার। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হত তাঁকে। রাজপাল বলেন, ‘‘আমি জেলের সব নিয়ম মেনেই চলতাম। কিন্তু পরিবারের থেকে দূরে থাকাটা বেদনাদায়ক। মানসিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সকাল সকাল উঠে যোগসাধনা করতাম।’’
ভাইঝির বিয়েতে উপস্থিত থাকার জন্য জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন। জেল থেকে অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেতেই রাজপাল সোজা পৌঁছে যান শাহজহানপুরে, নিজের গ্রামে। সেখানেই ভাইঝির ‘মেহেন্দি’ অনুষ্ঠানে প্রাণখুলে নাচতে দেখা যায় তাঁকে। একদিকে বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান, অন্যদিকে জেল থেকে কিছু দিনের জন্য হলেও মুক্তি পেয়েছেন রাজপাল— ফলে জোড়া উদ্যাপনের আবহ। অভিনেতার পাশে তাঁর স্ত্রীকেও দেখা যায়। এর পরে ভাইঝির শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার ভিডিয়োও ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে।