Mimi Chakraborty

আদালতে স্বস্তি মিমি চক্রবর্তীর! বনগাঁকাণ্ড নিয়ে কী নির্দেশ দেওয়া হল আদালতের তরফে?

মিমির এক অনুষ্ঠান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত চলতি বছরের জানুয়ারিতে। বনগাঁর এক মঞ্চানুষ্ঠানে অভিনেত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিবাদ বাধে মিমি চক্রবর্তী এবং তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১৭:১৫
বনগাঁ কাণ্ডে মিমির স্বস্তি।

বনগাঁ কাণ্ডে মিমির স্বস্তি। ছবি: সংগৃহীত।

আদালতে আপাতত স্বস্তি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর। বনগাঁর এক পরিচিত জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে স্থগিতাদেশ দিল আদালত। আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল হাই কোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের সিঙ্গল বেঞ্চ।

Advertisement

মিমির ওই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত হয় চলতি বছরের জানুয়ারিতে। বনগাঁর এক মঞ্চানুষ্ঠানে অভিনেত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিবাদ বাধে মিমি এবং তনয়ের মধ্যে। তনয় অভিযোগ করেছিলেন, মিমির আসার কথা ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। তিনি এসে পৌঁছোন রাত পৌনে ১২টায়। ফলে, মিনিট পনেরো পরে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে অনুষ্ঠান শেষ করতে বাধ্য হন তিনি। মঞ্চে উঠে তিনি মিমিকে সে কথা জানাতেই ‘অপমানিত’ বোধ করেন অভিনেত্রী। তিনি অভব্য আচরণের পাল্টা অভিযোগ তোলেন অনুষ্ঠানের আয়োজক তনয়ের বিরুদ্ধে। এর পরে বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

দোলের আগের দিন, অর্থাৎ ২ মার্চ বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করেন অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রী। সেই সময়ে অভিযোগকারীর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি তনয়ের হয়ে দাবি করেছিলেন , “মানহানি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা দাবির পাশাপাশি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। মিমি নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে না এসেও ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দ্বিতীয় মামলা তারই ভিত্তিতে।” যা আনন্দবাজার ডট কম-এর একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়েছিল। সেই সময়েও অভিনেত্রীর তরফে মেলেনি কোনও প্রতিক্রিয়া। আদালতের বুধবারের এই নির্দেশের পরে তনয়ের তরফে মেলেনি কোনও প্রতিক্রিয়া।

মিমি-বনাম তনয়ের বিতর্কের জল কোন দিকে গড়াল?

মিমি-বনাম তনয়ের বিতর্কের জল কোন দিকে গড়াল? ছবি: সংগৃহীত।

এর আগে তরুণজ্যোতি, তনয়ের হয়ে আরও দাবি করেছিলেন, মিমির আচরণ যথার্থ ছিল না। প্রথমত, তিনি অনেক দেরিতে অনুষ্ঠানে আসেন। মাত্র ১৫ মিনিট অনুষ্ঠান করেন। রাত ১২টার পরে অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল না। ফলে, অনুষ্ঠান ওই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হয়। মিমি সমস্ত দোষ অকারণে তনয়ের উপরে চাপিয়েছেন। মিথ্যা অভিযোগে তরুণজ্যোতির মক্কেলকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছেন। তনয় তাই তাঁর সঙ্গে ঘটা অন্যায়ের বিচার চান।

বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রী মিমির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মেসেজের উত্তরও দেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন