Rishi Kapoor-Ranbir Kapoor

পুত্র গাঁজা খেয়েছেন! কাজের মাঝে জানতে পেরে মেজাজ হারান ঋষি, রণবীরকে কী বলেছিলেন তিনি?

শুটিংয়ের সময়েও ঋষির সঙ্গে কাজ করা সহজ ছিল না, এমনটাই শোনা যেত ইন্ডাস্ট্রিতেও। তিনি নাকি অল্পেতেই রেগে যেতেন। একবার নাকি রণবীরের গাঁজা খাওয়া নিয়ে প্রচণ্ড বকাবকিও করেছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ২২:৪৭
রণবীরের উপর মেজাজ হারান ঋষি!

রণবীরের উপর মেজাজ হারান ঋষি! ছবি: সংগৃহীত।

প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কপূর বাড়িতে বেশ কঠোর ও শৃঙ্খলাপরায়ণ মানুষ ছিলেন বলে জানা যায়। শুটিংয়ের সময়েও তাঁর সঙ্গে কাজ করা সহজ ছিল না বলেই শোনা যেত ইন্ডাস্ট্রিতে। তিনি নাকি অল্পেতেই রেগে যেতেন। একবার নাকি রণবীরে গাঁজা খাওয়া নিয়ে প্রচণ্ড বকাবকিও করেছিলেন।

Advertisement

সম্প্রতি বলিউড প্রযোজক সুমিত ত্যাগী এক সাক্ষাৎকারে জানান, ছবির সেটে সবাই ঋষি কপূরকে ভয় পেতেন। এক বার ছেলে রণবীর কপূর সেটে এলেও তিনি শুধু মা নীতু কপূরের সঙ্গে দেখা করে চলে যান। ভয়ে তিনি বাবার সঙ্গে আর দেখা করেননি। সুমিতের কথায়, “ঋষিজি কখনও কখনও বেশ রুক্ষ আচরণ করতেন। তবে নীতুজি ছিলেন একেবারে উল্টো স্বভাবের। তিনি সবার খোঁজখবর নিতেন, সম্মান করতেন এবং খুব আন্তরিক আচরণ করতেন।” এখানেই শেষ নয়। ঋষিকে নিয়ে সুমিত আরও বলেন, “সেটে সবাই ঋষিজিকে খুব ভয় পেত। মেকআপের সময়ে গোঁফ লাগাতে তাঁর অনেক সময় লাগত। তার পর মাঝে মধ্যেই রেগে গিয়ে বলতেন,‘আমি কিন্তু গোঁফ খুলে ফেলব’।”

একদিন একটি ছবির সংলাপের মহড়া চলছিল। তার মাঝে বিরতির সময়ে টিভিতে রণবীরের একটি সাক্ষাৎকার চলছিল। সেখানে রণবীর বলেছিলেন যে, তিনি জীবনে এক বার গাঁজা খেয়েছিলেন। এটি শুনেই ঋষি মেজাজ হারান এবং রণবীরকে ফোন করেন। সুমিত বলেন, “ঋষিজি আমাকে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বললেন। তার পর ফোনে রণবীরকে খুব বকাঝকা করতে শুরু করেন।” তবে ঋষি কপূর সম্পর্কে তাঁর বেশ কিছু ইতিবাচক অভিজ্ঞতাও রয়েছে। সুমিত জানান, “ঋষিজি ছিলেন একেবারে অকৃত্রিম মানুষ। তাঁর মধ্যে কোনও ভণিতা ছিল না।” কিন্তু তাও ঋষিকে সকলেই সমীহ করে চলতেন। চাঁচাছোলা ভাষার মানুষ ছিলেন তিনি। প্রযোজক সুমিতের কথায়, “পরিচালকও অনেক সময় ঋষিজির সঙ্গে কথা বলতে ইতস্তত করতেন। তিনিও ভয় পেতেন। এমনকি নীতুজি এবং রণবীরও তাঁর সামনে ভয়ে থাকতেন।”

তবে রাতে মদ্যপান করার পরে ঋষি নাকি অন্য রকম হয়ে যেতেন। সুমিত বলেন, “নীতুজি একবার বলেছিলেন, রাতে মদ খেলে ঋষিজি একেবারে সাধারণ পঞ্জাবি মানুষের মতো হয়ে যেতেন। তিনি মূলত ভাল মানুষই ছিলেন। শুটিংয়ের শেষ দিনে তিনি আমার সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছিলেন, তাতে তাঁর প্রতি আমার সব অভিমান দূর হয়ে যায়।”

Advertisement
আরও পড়ুন