সারা অর্জুন মুখ খুললেন রণবীর সিংহকে নিয়ে। ছবি: ফেসবুক।
‘ধুরন্ধর’ ছবির প্রথম ঝলক সামনে এসেছে, কটাক্ষে শিকার রণবীর সিংহ-সারা অর্জুন। ২০ বছরের ব্যবধান চোখে বিঁধেছে প্রায় সকলের। সমালোচনার ঢেউ সমাজমাধ্যমে। আলোচনা চলছে বিনোদনদুনিয়ার অন্দরেও। অবশেষে মুখ খুললেন নায়িকা। তাঁর সাফ, “যা খুশি ওরা বলে বলুক। আমার কিচ্ছু যায়-আসে না।”
কেন এত দিন নীরব ছিলেন তিনি? সারা সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। তাঁর কথায়, “ছবিমুক্তির আগে পর্যন্ত আমি সমাজমাধ্যমের ধারেপাশে ছিলাম না। দেখতাম না কিচ্ছু। ফলে, এত কথা যে আমাদের নিয়ে হয়েছে, সেটাই আমি জানি না। তাই এত কটাক্ষ আমার উপরে কোনও প্রভাবই ফেলেনি!” সারা কিন্তু এখানেই থামেননি। তাঁর আরও যুক্তি, পরিচালক আদিত্য ধরের নিশ্চয়ই মনে হয়েছে, এই জুটি চিত্রনাট্যের উপযুক্ত। দর্শকেরও পছন্দ হবে। সেই জন্যই রণবীর-সারাকে বেছে নিয়েছেন।
কেন এই জুটিকে নিয়ে এত সমালোচনা? সারাকে শিশুশিল্পী হিসাবে ছবিতে বা বিজ্ঞাপনী ছবিতে দর্শক দেখে অভ্যস্ত। তিনি হঠাৎ রণবীরের বিপরীতে, যে নায়ক তাঁর থেকে ২০ বছরের বড়। দর্শকের অভ্যস্ত চোখ স্বাভাবিক ভাবেই তাই হোঁচট খেয়েছে।
তবে সমাজমাধ্যমে সারার না থাকা নতুন নয়। কথাপ্রসঙ্গে ‘ধুরন্ধর’ নায়িকার দাবি, “বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করেছি। ওখানে কোনও ভাবেই মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি মিলত না। ফলে ফোনে বা সমাজমাধ্যমে ব্যস্ত থাকার অভ্যাস তৈরি হয়নি।” পড়াশোনা শেষ হয়ে গিয়েছে অনেক দিন। নায়িকা নতুন করে সেই অভ্যাস আর শুরু করেননি। খুব প্রয়োজন না পড়লে বা নিজের কাজের প্রচার ছাড়া তিনি এখনও সমাজমাধ্যমে চোখ রাখেন না। অবসরে হয় বেড়াতে বেরিয়ে পড়েন, নয়তো গান শোনেন। এমনই দাবি তাঁর।