Mouni Roy-Suraj Nambiar

মৌনীকে বিয়ে করতেই চাননি সূরজ! কোন শর্তে রাজি করিয়েছিলেন অভিনেত্রী?

বিচ্ছেদের খবরের মাঝে উঠে আসছে সূরজ ও মৌনীর বেশ কিছু পুরনো সাক্ষাৎকারের মন্তব্য। একটি সাক্ষাৎকারে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সূরজ স্বীকার করেছিলেন, কোনও অভিনেত্রীকে বিয়ে করতে প্রথম দিকে তিনি সম্মত ছিলেন না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১১:৪৬
বিয়েতে রাজি ছিলেন না সূরজ। কী শর্ত দিয়েছিলেন মৌনী?

বিয়েতে রাজি ছিলেন না সূরজ। কী শর্ত দিয়েছিলেন মৌনী? ছবি: সংগৃহীত।

মৌনী রায় ও সূরজ নাম্বিয়ার বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তাঁরা পরস্পরকে আনফলো করেছেন। তার পর থেকেই জল্পনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যৌথ ভাবে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন তাঁরা। যদিও গত ছ’মাস ধরে আলাদা থাকছেন তাঁরা। এ-ও জানা যাচ্ছে, মৌনীকে বিয়ে করা নিয়েও নাকি নিশ্চিত ছিলেন না সূরজ।

Advertisement

বিয়ে করতে হবে, না হলে সম্পর্ক ভাঙতে হবে। এমন শর্ত দিয়েছিলেন নাকি মৌনী। তখন বিয়েতেই রাজি হন সূরজ। এমনই নানা কথা উঠে আসছে। বিচ্ছেদের খবরের মাঝে উঠে আসছে সূরজ ও মৌনীর বেশ কিছু পুরনো সাক্ষাৎকারের মন্তব্য। একটি সাক্ষাৎকারে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সূরজ স্বীকার করেছিলেন, কোনও অভিনেত্রীকে বিয়ে করতে প্রথম দিকে তিনি সম্মত ছিলেন না। বিশেষত, ছবিশিকারিদের আকর্ষণের কেন্দ্রে মৌনীকে দেখে দ্বিধায় ছিলেন সূরজ। খ্যাতির আলোয় থাকা মানুষকে বিয়ে করার ভাবনা ছিল না তাঁর।

তাই সম্পর্কে থাকলেও, ক্রমশ বিয়ে পিছোতে থাকেন সূরজ। অবশেষে মৌনী সময় বেঁধে দেন। শর্ত দেন, হয় বিয়ে করার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। না হলে সম্পর্কে ইতি টানতে হবে।

২০২২ সালে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা। ক্রমশ তারকা স্ত্রীর জীবনযাপন, খ্যাতির সঙ্গে নিজেকে অভ্যাস করাচ্ছিলেন সূরজ। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আসলে প্রথম দিকে আমাদের দেখা হত দুবাইয়ে। তখন এই ভাবে মৌনীকে তাঁর ভক্ত ও ছবিশিকারিরা ঘিরে থাকতেন না। মুম্বইয়ে আসার পরে বুঝলাম, সবাই ওর সঙ্গে নিজস্বী তুলতে চায়। এই বিষয়টা আমাকে বেশ ভাবিয়েছিল। আমি কোনও অভিনেতাকে বিয়ে করতে চাই কি না, তা আর ভাবিনি।”

সূরজ সেই সাক্ষাৎকারে আরও বলেছিলেন, “মৌনীকে বিয়ে করার অর্থ, প্রতি মুহূর্তে মানুষের নজরদারির মধ্যে বাঁচতে হবে। এটাই ছিল বোঝাপড়া। ক্রমশ আমি অভ্যস্ত হচ্ছি।” বিয়ের কয়েক মাস পরে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন সূরজ।

বৃহস্পতিবার বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছেন তাঁরা। কিন্তু একসময়ে কাটানো ভাল মুহূর্ত ও বন্ধুত্বকে সারাজীবন মনে রাখবেন এবং উপভোগ করবেন বলেও জানান তাঁরা। দীর্ঘ বিবৃতিতে লিখেছেন, “শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া বজায় রেখেই আমরা ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” জীবনের এই অধ্যায়কে ব্যক্তিগত রাখতে চাইছেন তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন