মিমিকে হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার তনয় শাস্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত।
মিমি চক্রবর্তীর হেনস্থাকাণ্ডে অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার পুলিশ বনগাঁ গিয়েছিল ঘটনার তদন্তে। অভিযোগ, সেখানে অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী ও আরও দু’জন পুলিশের কাজে বাধা দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এ নিয়ে নিজের বাড়িতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এর পরই গ্রেফতার হন তিনি ও তাঁর দুই সহযোগী। শুক্রবার, বনগাঁ মহকুমা আদালতে ধৃতদের তোলা হবে বলে সূত্রের খবর।
রাতে বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছেন, মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তের কাজে তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিল। সেই সময় তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তনয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে নয়। তবে মিমির অভিযোগের তদন্ত চলছে।
সেই মুহূর্তে তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এর প্রচারে ব্যস্ত মিমি। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাই কিছু জানাতে পারেননি। তবে বলাই বাহুল্য, পুলিশের এই পদক্ষেপে তিনি খুশি।
ঘটনাটি গত রবিবার রাতের। বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে যান মিমি। সেখানেই মঞ্চে হেনস্থার শিকার হন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। মিমি অভিযোগ করেন, “আমি অনুষ্ঠান করছি। হঠাৎ তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে এসে আমাকে থামিয়ে দেন। নেমে যেতে বলেন। আমি কথা না বাড়িয়ে পুরো অনুষ্ঠান না করেই নেমে যাই। ওঁর আচরণ খুব উদ্ধত ছিল।” এর পরেই তিনি ই-মেল মারফত স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাক্তন সাংসদের আরও অভিযোগ, বাকি শিল্পীদের মতো তিনি তনয়ের বাড়িতে অতিথি হয়ে যেতে রাজি হননি বলেই নাকি তাঁর সঙ্গে এই ‘অন্যায়’ আচরণ। এই নিয়ে সোমবার থেকে চাপানউতর পরিস্থিতি।
যদিও মিমির এই অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত। তনয় আনন্দবাজার ডট কম-কে পাল্টা বলেছিলেন, “আমার কোনও দোষ নেই। মিমি অনেক দেরিতে এসেছিলেন। আমাদের নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান শেষ করতে হত। আমরা সেটাই করেছি। মিমির সঙ্গে আমরা কোনও খারাপ আচরণ করিনি।”