(বাঁ দিকে) থলপতি বিজয় ও পুত্র জেসন সঞ্জয়, (ডান দিকে) তৃষা কৃষ্ণান। ছবি: সংগৃহীত।
বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই নাকি ভাঙতে চলেছে বিজয়ের বিয়ে। এমনই খবরে ছয়লাপ সংবাদমাধ্যম। এও শোনা যাচ্ছে, বিজয়ের আলোচিত প্রেমিকা তৃষা কৃষ্ণান সমাজমাধ্যমে বিজয়ের সঙ্গে নিজের ছবি দিতেই বেঁকে বসেছেন অভিনেতার স্ত্রী সঙ্গীতা। বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। খবর, সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম চেঙ্গলপট্টু পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। ইতিমধ্যেই বাবাকে সমাজমাধ্যম থেকে ‘সরিয়ে’ ফেলেছেন ছেলে জসন সঞ্জয়। যখন থলপতির জীবনে এত কিছু একসঙ্গে ঘটছে, তখন আর নীরব থাকতে পারলেন না তৃষা!
২০০৪ সালে ‘গিল্লি’ ছবির মাধ্যমে তৃষা ও বিজয়ের রসায়ন দর্শকের মন জয় করে। এর পর তাঁরা ‘থিরুপাচি’, ‘আথি’ এবং ‘কুরুভি’-র মতো একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। বিজয় এবং তৃষার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বহু দিনের। ২০০৮ সালের পর একসঙ্গে কোনও ছবিতে অভিনয় করা বন্ধ করে দেন তাঁরা। কারণ, তাঁদের রসায়ন ছায়া ফেলেছিল বিজয়ের সংসারে। তৃষার সঙ্গে ছবি না করার শর্ত চাপিয়েছিল অভিনেতার পরিবার। সেই সময় তাঁরা ঘোষণাও করেন, সবটাই রটনা। তাঁরা শুধুই বন্ধু। দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতির পর ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লিও’ ছবিতে তাঁদের আবার স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। তার পর থেকে শুরু গুঞ্জন, মাঝে নাকি তৃষার সঙ্গে একান্ত যাপনে নরওয়ে যান থলপতি। তার পরেই নাকি এমন পদক্ষেপ করেন স্ত্রী।
এ দিকে, গত বছর তৃষা তাঁর অভিনয় জীবনের পঁচিশ বছর পূর্ণ করেন। সেই উপলক্ষেই দুবাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে যান দুই তারকা। তখন থলপতির উদ্দেশে তৃষা বলেন, ‘‘আমি ওকে অনেক শুভেচ্ছাবার্তা দিতে চাই, জীবনের নতুন যাত্রপথ শুরু করছে, ও সফল হোক।’’ প্রসঙ্গত, বিজয় রাজনীতিতে নামবেন বলে কিছুদিন আগে নতুন দল তৈরি করেছেন। সম্ভবত, তিনি ভোটেও লড়বেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই তৃষা শুভেচ্ছা জানান তাঁকে। যদিও এর মাঝে থলপতিকে নিয়ে নীরব তিনি। কিন্তু বাইরে তাঁর দাম্পত্যজীবন নিয়ে সর্বত্র চর্চা। এর মাঝে থলপতি সমাজমাধ্যমে বোর্ডের পরীক্ষার উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে লেখেন, ‘‘সকলকে উচ্চশিক্ষার শুভেচ্ছা। সব ভাল হবে তোমাদের। বিজয় নিশ্চিত।’’