থলপতি বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণন। ছবি: সংগৃহীত।
অসুখী দাম্পত্যজীবনে থাকবেন না, বরং প্রেমেই থাকতে চান তৃষা কৃষ্ণন। অভিনেত্রী নিজের এমন চিন্তাভাবনার কথা প্রকাশ করেন বেশ কয়েক বছর আগে। সেই সময় চেন্নাইয়ের এক শিল্পপতির সঙ্গে সদ্য বাগ্দান ভেঙেছিল তৃষার। আবার আলোচনায় তৃষা। কারণ, থলপতি বিজয়ের সঙ্গে পরকীয়ার গুঞ্জন। ৪০ বছরে পা দিয়েছেন। আদৌ কি বিয়ে করতে চান ত়ৃষা?
জনপ্রিয় তামিল অভিনেতার সঙ্গে তাঁর সহ-অভিনেত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ এনে আইনি বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম। পারিবারিক আদালতে এই মামলা চলাকালীন সেই সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গেই বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হলেন অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়। তাতেই যেন আরও হইচই পড়ে যায়। যদিও বিজয় প্রথম নন, এর আগেও এক দক্ষিণী অভিনেতার সঙ্গে নাম জড়ায় তৃষার। সেই সম্পর্কও পরিণতি পায়নি। কয়েক বছর সম্পর্কে থাকার পরে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তাঁরা। সেই অভিনেতার নাম রানা দগ্গুবতী।
এর পরে চেন্নাইয়ের ব্যবসায়ী এবং প্রযোজক বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃষা। বরুণের সঙ্গে ২০১৫ সালে বাগ্দান সেরে ফেলেন অভিনেত্রী। কিন্তু মাসছয়েকের মধ্যে ভেঙে যায় তাঁদের বাগ্দান। কী কারণে ভাঙল বিয়ে, তা জানাননি তৃষা। যদিও অন্দরের ফিসফাস, বরুণের পছন্দে সম্মতি জানাননি তাঁর বাবা। বরুণের বাবা চেয়েছিলেন যে, তাঁদের পুত্রবধূ যেন কোনও ব্যবসায়ী পরিবারের কন্যা হন। অভিনেত্রীকে পুত্রবধূ হিসাবে নাকি মানতে পারেননি তিনি। পরিবারের আপত্তিতে তৃষার সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেন বরুণ।
বরুণের সঙ্গে বাগ্দানের দিনই তৃষা লিখেছিলেন, ‘‘বরুণের সঙ্গে আমার বাগ্দান হচ্ছে। এর পর কেউ লিখবেন না যেন যে, আমি অভিনয় ছাড়ছি। কারণ আমি সারাজীবন অভিনয়টাই করে যাব।’’ সেই সম্পর্ক ভাঙার পরে একটা দীর্ঘ সময় একাই ছিলেন তৃষা। বরুণের সঙ্গে বাগ্দান ভাঙার প্রসঙ্গে সেই সময় এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করে অসুখী থাকতে চান না। বিবাহবিচ্ছেদও চান না। তিনি বরং ভালবাসায় থাকতে চান। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে থলপতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, এড়িয়ে যান তৃষা।