ধনশ্রীর পরে মহবশের সঙ্গেও দূরত্ব চহলের! গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
বেতার সঞ্চালিকা মহবশের সঙ্গেও সম্পর্ক ভেঙেছে যুজ়বেন্দ্র চহলের। এমনই গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ধনশ্রী বর্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরে মহবশের সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল ক্রিকেটতারকার। বেশ কয়েকটি জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখাও গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তাঁরা সমাজমাধ্যমে পরস্পরকে ‘আনফলো’ করেছেন। চহলের অনুরাগীদের ধারণা, এই সম্পর্কেও চিড় ধরেছে। এই জল্পনার মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য চহলের।
জীবনে ঠিক কী চলছে, সেই ব্যাখ্যা সকলকে দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। অর্জুনকে পরামর্শ দিচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ। এমনই একটি পোস্ট নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাগ করে নেন চহল। কেন হঠাৎ এই পোস্ট, সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পোস্টে লেখা, “তোমার ঠিক কী হয়েছে, সেটা জানার অধিকার সকলের নেই। তাই চুপ থাকাও স্বাভাবিক। ওদের ভাবতে দাও যে, তুমিই ভুল।”
অনুরাগীদের ধারণা, মহবশের সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যে জল্পনা চলছে, তার জেরেই এই রহস্যময় মন্তব্য চহলের। ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে মহবশের সঙ্গে সম্পর্কের কথা ছড়ায়। অনায়াসে তাঁরা বহু জায়গায় ক্যামেরাবন্দিও হয়েছেন। আইপিএল-এ যখন মাঠে খেলছেন চহল, তখন দর্শকের মাঝ থেকে ক্রিকেটতারকার জন্য গলা ফাটিয়েছিলেন মহবশ। আবার খেলায় জয়ী হলে, তাঁর হোটেলে পৌঁছে দিয়েছিলেন গোলাপের তোড়া। কিন্তু সম্পর্কের কথা কখনওই তাঁরা স্বীকার করেননি।
ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়েও একসময়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল চহলকে। পাকাপাকি ভাবে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়েছে ২০২৫ সালে। তার আগে খোরপোশ নিয়ে দীর্ঘ দিন তরজা চলে তাঁদের মধ্যে। পরস্পরকে বিভিন্ন ভাবে খোঁচাও দিয়েছিলেন ধনশ্রী ও চহল। তবে ২০২৫ সালে এক অনুষ্ঠানে ধনশ্রী জানিয়েছিলেন, চহলের মধ্যে অনেক দোষ আছে জেনেও তিনি বার বার সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রতারিত হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে চহল বলেছিলেন, “আমি জীবনের ওই অধ্যায় ভুলে গিয়েছি। যে যা খুশি বলে দিচ্ছে। সেগুলোই সমাজমাধ্যমে চলছে। কিন্তু সত্যি একটাই। আমার জীবনে যাঁদের গুরুত্ব রয়েছে, তাঁরা সেই সত্যিটা জানেন। আর কখনও এই নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না।”