Seeds Water Benefits

বীজ ভেজানো জলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, কিন্তু কোনটি আপনার জন্য স্বাস্থ্যকর, কী ভাবেই বা খাবেন

যে কোনও বীজ ভিজিয়ে জল খাচ্ছেন? কিন্তু সকলের জন্য সব বীজ এক ভাবে কার্যকরী নয়। ওজন হ্রাস, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, থাইরয়েড, কোলেস্টেরল, ঘুম বা গ্যাসের মতো ভিন্ন ভিন্ন সমস্যাকে মাথায় রেখে বীজ খাওয়া উচিত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১৯:১২
কোন বীজ আপনি খেতে পারবেন?

কোন বীজ আপনি খেতে পারবেন? ছবি: সংগৃহীত।

স্বাস্থ্যসচেতনতার ধুম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলপানের পদ্ধতিতে এসেছে নতুনত্ব। শুধু জল নয়, সকালে উঠে বীজ ভেজানো জল খাচ্ছেন অনেকে। কেউ চিয়া বেছে নিচ্ছেন, কেউ মেথি, কেউ বা তুলসীর বীজ। কেউ আবার সব বীজ একসঙ্গেই জলে ভেজাচ্ছেন। কিন্তু প্রত্যেকটির সুবিধা-অসুবিধা ভিন্ন। সবার শরীরের গঠন, হজমশক্তি বা শারীরিক সমস্যা এক নয়। ওজন হ্রাস, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, থাইরয়েড, কোলেস্টেরল, ঘুম বা গ্যাসের মতো ভিন্ন ভিন্ন সমস্যাকে মাথায় রেখে বীজ খাওয়া উচিত।

Advertisement

কার জন্য কোন বীজের জল উপযুক্ত নয়, কী ভাবেই বা বানাবেন, কখন খাবেন— বিস্তারিত জানালেন আমির খান, বিরাট কোহলি, পিভি সিন্ধু-সহ একাধিক তারকার পুষ্টিবিদ রায়ান ফার্নান্ডো।

চিয়াবীজের জল

১ চা চামচ চিয়াবীজ ২০০ মিলিলিটার জলে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খাওয়া উচিত। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্য, বার বার খিদে পাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাঁরা চিয়া খেতে পারেন। তবে যাঁরা ইরিটেব্‌ল বাওল সিনড্রোমে ভোগেন, যাঁদের পেটফাঁপার সমস্যা রয়েছে কিংবা যাঁরা প্রেশারের ওষুধ খান, তাঁরা চিয়া এড়িয়ে চলুন।

মেথির জল

চিয়ার মতোই পরিমাণ মেথি এবং জল নিয়ে সারা রাত ভিজিয়ে সকালে উঠে খেতে হবে। অথবা প্রাতরাশের আগেও খেতে পারেন। ডায়াবিটিস ও বদহজমের রোগীদের জন্য এই বীজ খুবই উপকারী। কিন্তু যাঁদের প্রেশার খুব কম থাকে বা পেটের গোলমাল লেগেই থাকে, তাঁদের জন্য আদপে উপকারী নয় মেথির জল।

তিসির বীজের জল

কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলেস্টেরল এবং প্রদাহের সমস্যায় ভোগেন? তা হলে ১ চা চামচ তিসি গুঁড়ো করে তার পর ২০০ মিলিলিটার জলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খাবার খাওয়ার আগে ওই জল পান করুন। তবে পেটের বা অন্ত্রের সমস্যায় ভুগলে তিসি বাদ দিতে পারেন।

তুলসীবীজের জল

‘সবজা’ হিসেবে বেশি পরিচিত এই বীজ। দুপুরের খাবার খাওয়ার আগে তুলসীর বীজ ভেজানো জল খেতে হবে। তবে তার আগে ১৫-২০ মিনিট ধরে ১ চা চামচ তুলসীর বীজ ২০০-২৫০ মিলিলিটার জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভুলেও শুকনো খাবেন না এই বীজ। শরীর অত্যন্ত গরম হয়ে গেলে বা অম্বল হলে অথবা পেট ভাল রাখতে এটি খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু যাঁদের প্রেশার খুব কম থাকে, তাঁরা এই বীজ খাবেন না।

কুমড়োর বীজের জল

অনিদ্রায় ভুগলে, থাইরয়েডের সমস্যা হলে, চুল পাতলা হয়ে এলে এই বীজ খাওয়া যায়। কিন্তু কিডনিতে পাথর জমলে, রক্তচাপের ওষুধ খেলে, বীজে অ্যালার্জি থাকলে একেবারে এড়িয়ে যাওয়া উচিত। ১-২ টেবিল চামচ কুমড়োর বীজ ২০০-২৫০ মিলিলিটার জলে ৪-৬ ঘণ্টার জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। সন্ধ্যায় বা রাতে ঘুমোনোর আগে খাওয়া উচিত। চাইলে অল্প দারচিনিও মিশিয়ে নিতে পারেন এই জলে।

Advertisement
আরও পড়ুন