শরীরে সবসময়ে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব থাকলে কেমন হবে ডায়েট? ছবি: ফ্রিপিক।
শরীরে নিদারুণ অস্বস্তি। সবসময়ে বমি বমি ভাব। গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমছেই না। এমন সব উপসর্গ দেখা দিলে বুঝতে হবে শরীরে প্রদাহ বেড়েছে। এটি কমাতে হলে প্রদাহনাশক খাবার বা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ডায়েট’ প্রয়োজন।
চিকিৎসকেরা বলেন, শরীরের প্রদাহকে একেবারেই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। কারণ, সাধারণত কোনও জীবাণু, আঘাত বা কোষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণেই প্রদাহ দেখা দিতে পারে। এর ফলে হতে পারে জ্বর, সারা শরীরে যন্ত্রণা, পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে জন্য ওষুধ তো বটেই, পাশাপাশি খাওয়াদাওয়াও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
কী কী খাবেন?
এই খাদ্যাভ্যাসের মূলে হল এমন খাবার বেছে নেওয়া যা প্রোটিন, ওমেগা ৩, ভিটামিন সি, ফাইবারে ভরপুর। যদি খাদ্যতালিকায় রাখা যায় ভিটামিন এ, সি, ই, কে-যুক্ত খাবার, তা হলে শরীরের প্রদাহ কমবে। হলুদ বা কমলা রঙের ফল যেমন পেঁপে, পেয়ারা, আম, ডিমের কুসুম ও কিছু বিশেষ ধরনের মাছ হয় ভিটামিন এ-তে ভরপুর। আমলকি, কমলালেবু, পেয়ারা বা কাঁচা আমে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। শাক, সবুজ আনাজপাতি, ডিম, চিজ় থেকে ভিটামিন কে, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট পাওয়া যেতে পারে।
এ ছাড়াও জরুরি নানা রকম বাদাম ও বজ। কারণ এতে থাকে ভিটামিন ই। মেথি, পালং, সর্ষে শাকেও থাকে অনেক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। পমফ্রেট, ইলিশ বা রুই, কাতলার মতো মাছ, সয়াবিন, চিয়া বীজ, তিসি থেকে পাওয়া যাবে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। হার্ট, কিডনিকে ভাল রাখতেও খুবই উপকারী এই ধরনের খাবার।
সাধারণ ভাত-রুটি নয়, রাগি, ওট্স, কিনোয়ার মতো দানাশস্যও রাখতে হবে ডায়েটে। সাদা ভাতের বদলে খেতে হবে ব্রাউন রাইস, শ্যামা চাল। চিনি খাওয়া একেবারে বন্ধ করতে হবে। যে কোনও রকম প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। কাঁচা হলুদ, আদা দিয়ে বানানো ডিটক্স পানীয় নিয়মিত খেতে হবে।