পেট ভাল থাকবে, গ্যাসের সমস্যা হবে না, কোন কোন ব্যায়াম করবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
দুপুরে জমিয়ে মাংস-ভাত খেলেই পেট ফেঁপে ওঠে। কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস কিংবা হজমের বিভিন্ন সমস্যা থেকেও ফাঁপতে পারে পেট। যাঁদের বদহজমের সমস্যা আছে, তাঁদের খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম হলেই পেট ফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। পেটের সমস্যা সামলাতে শুধু ওষুধ খেলেই হবে না। সে সঙ্গে নিয়ম মেনে ব্যায়ামও করতে হবে।
পেট ভাল রাখতে কোন কোন ব্যায়াম করবেন?
ধনুরাসন
ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাঁটু ভাঁজ করে গোড়ালি দুটো নিতম্বের উপর আনুন। এ বার দুই হাত দিয়ে দুই পায়ের গোড়ালি ধরুন। তার পর ধীরে ধীরে সে ভঙ্গিমাতেই ঊরু দুটি উপরের দিকে তুলুন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। পিছনের অংশ উঠে যাওয়ার পরে, শরীরের সামনের দিক অর্থাৎ মুখ থেকে বুক অবধি উপরে তুলুন। পেটের অংশ মাটিতেই থাকবে। শরীর টানটান রাখতে হবে। এই ভঙ্গিতে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকুন। তার পর ধীরে ধীরে আগের ভঙ্গিতে ফিরে যান। এই আসনে পেট ভাল থাকবে। পেশির জোর বাড়বে। মনও ভাল থাকবে।
বদ্ধকোণাসন
প্রথমে কোমর-পিঠ টান টান করে মাটিতে বা ম্যাটের উপর বসুন। এ বার দুই হাঁটু ভাঁজ করে যোনির কাছে টেনে আনুন। পায়ের পাতা মুখোমুখি প্রণামের ভঙ্গিতে রাখুন। হাত দিয়ে টেনে ধরে রাখতে হবে। এ বার লম্বা শ্বাস নিয়ে কোমরের পেশি থেকে টেনে সামনের দিকে ঝুঁকতে থাকুন। পেট মুড়ে মাথা দিয়ে মাটি স্পর্শ করুন। খেয়াল রাখতে হবে, কোনও ভাবেই যেন মেরুদণ্ড ভাঁজ হয়ে বা বেঁকে না যায়। এই অবস্থায় থাকুন মিনিট দুয়েক। তার পর আবার আগের অবস্থানে ফিরে যান।
বালাসন
হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসুন। এ বার শরীর সামনের দিকে ঝোঁকান। বুক যেন ঊরুতে গিয়ে ঠেকে। মাথা মেঝেতে রাখুন। দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত করে রাখুন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এই ভাবে ২০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থানে ফিরে আসুন। তিন সেট করে করতে হবে এই ব্যায়াম। পেট ও তলপেটের খুব ভাল ব্যায়াম হবে। গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমবে। ঋতুকালীন সময়ে পেটের যন্ত্রণা হবে না।