yoga pose

চল্লিশের পরে হাত, কব্জির ব্যথা ভোগাচ্ছে? ওষুধ নয়, মহিলাদের জন্য রয়েছে সহজ এক আসন

কম্পিউটারে কাজ, রান্না করা, ওজন তোলা, ঘরের কাজকর্ম করার সময়ে কব্জিতে ব্যথা হয় অনেকের। মহিলারা এমন ব্যথায় বেশি ভোগেন। একে সাধারণ ব্যথা ভেবে এড়িয়ে গেলে পরে সমস্যা হতে পারে। ব্যথা কমবে সহজ যোগাসনে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫৬
Chair yoga figure-of-eight movements enhance neuromuscular coordination

হাত, কব্জির ব্যথা দূর করার সহজ আসন। চিত্রাঙ্কন: শৌভিক দেবনাথ।

রান্নার সময়ে একটানা অনেক ক্ষণ খুন্তি নাড়ার পরেই হাতে ব্যথা। জামাকাপড় কাচা, ঘর পরিষ্কারের সময় হয়তো দেখলেন হাত কাঁপছে, অল্পেই যন্ত্রণা হচ্ছে। লেখার সময় টান ধরছে আঙুলে। মোবাইল নিলেই হাত টনটনিয়ে উঠছে। কিছু ক্ষণ মাউস চালনা করলে কব্জির যন্ত্রণায় কাহিল। কখনও কখনও আঙুল এতটাই অবশ হয়ে যায় যে, মুঠো করে কিছু ধরার শক্তিটুকু পর্যন্ত থাকে না। এমন সব লক্ষণ যদি দেখা দিতে থাকে, তা হলে আর্থ্রাইটিস ভেবে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে থাকেন অনেকে। এতে হিতে বিপরীত হয়। এমন ব্যথা বাতের না-ও হতে পারে। কারপাল টানেল সিনড্রোমের কারণেও হাতে ব্যথা হয়। এ ক্ষেত্রে ওষুধ নয়, ব্যায়ামই বেশি কার্যকরী হয়।

Advertisement

হাতের ব্যথা কমানোর সহজ এক আসন হল ‘আর্ম ফিগার এইট’। এই আসন মাটিতে ম্যাটের উপর বসে বা চেয়ারে বসে করা যেতে পারে। বয়স্কেরাও সহজেই আসনটি করতে পারেন।

কী ভাবে করবেন?

১)পিঠ টানটান করে বসতে হবে। শরীর ঝোঁকালে চলবে না। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।

২) চেয়ারে যদি বসে থাকেন তা হলে দই পা জড়ো করে রাখুন, পিঠ সোজা রাখতে হবে। মাটিতে বসে থাকলে সবচেয়ে ভাল হয়, যদি পা মুড়ে বজ্রাসনে বসেন।

৩) এ বার দুই হাত সামনের দিকে ছড়িয়ে আঙুলগুলি জড়ো করে রাখুন। দই হাতের আঙুল পরস্পরের সঙ্গে জোড়া রাখতে হবে।

৪) এর পর সেই অবস্থাতেই অর্থাৎ, হাত মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় রেখে বাঁ দিক থেকে ডান দিকে হাত ঘুরিয়ে ইংরেজি ৮ সংখ্যাটি বা বাংলা ৪ সংখ্যাটি লিখতে হবে। অর্থাৎ, দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ রেখে ইংরেজি ৮ বা বাংলা ৪ সংখ্যার মতো করে ঘোরাতে হবে।

৬) এই পদ্ধতি ৫-৭ বার করতে হবে।

উপকারিতা:

ঘাড়, কাঁধ ও দুই হাতের পেশির ব্যায়াম হবে।

হাতের পেশির স্ট্রেচিং হবে, কব্জির ব্যথা কমে যাবে।

ফ্রোজ়েন শোল্ডারের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্যও উপকারী হতে পারে আসনটি।

নিয়মিত অভ্যাসে শরীরের ঊর্ধ্বাংশের ব্যায়াম হবে, ফুসফুসের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে।

সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে।

কারা করবেন না?

হার্টের অসুখ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আসনটি করবেন না।

টেনিস এলবোর সমস্যা থাকলে আসনটি না করাই ভাল।

Advertisement
আরও পড়ুন