ঘাড়ের কালচে ছোপ হতে পারে জটিল অসুখের উপসর্গ। ছবি: সংগৃহীত।
ঘাড়ের কালচে দাগ অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে। শরীরে মেলানিনের অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় কালচে ছোপ দেখা যায়। অনেক সময় দেখা যায়, আঙুলের গাঁটের উপরের ভাগ কালচে হয় যায়। মেলানিনের অতিরিক্ত ক্ষরণের ফলে এমনটা হতে পারে। তবে এটাই একমাত্র কারণ নয়। শরীরের বিভিন্ন অংশের কালচে ছোপ নেপথ্যে থাকতে পারে শারীরিক সমস্যাও।
১) এটোপিক আছে, এমন লোকেদের সাধারণত আঙুলের গাঁটে কালচে দাগ দেখা যায়। এটোপিক আছে এমন লোকদের ত্বক এবং শ্বাসতন্ত্র খুব সংবেদনশীল। পরাগ, ধূলিকণা, কৃত্রিম রঙের গন্ধেও তাঁদের সমস্যা হয়। এই প্রকার সমস্যা থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে কালচে দাগ দেখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কালচে দাগ গাঢ় হয়ে যায়।
২) অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিক্যানস রোগ হলে শরীর এবং ত্বকের কোষগুলি ইনসুলিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। যদি শরীরের কোষগুলি ইনসুলিন ব্যবহার না করে তা হলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে ডায়াবেটিকদের কপাল, গালের পাশ, বাহু এবং কুঁচকিতে পুরু এবং কালো দাগ তৈরি হয়।
৩) থাইরয়েডের মাত্রায় গোলমাল হলেই শরীরের বিভিন্ন অংশে এই ধরনের দাগ দেখা দিতে শুরু করে। ঘাড়ের কাছে কালছে ছোপও থাইরয়েডের উপসর্গ হতে পারে। থাইরয়েড হলে শরীরে কালচে ছোপের পাশাপাশি কোথাও কোথাও মোমের মতো আস্তরণ পড়তেও দেখা যায়।