ছবি : সংগৃহীত।
ডিজিটাল যুগে দিনের একটা বড় সময় কাটে ডিজিটাল পর্দায় চোখ রেখে। কখনও ল্যাপটপ, কখনওবা মোবাইল। কিন্তু এই নির্ভরশীলতা যখন আসক্তিতে পরিণত হয়, তখন তা মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। সেই সমস্যা এড়াতে সাহায্য করতে পারে ডিজিটাল ডিটক্স। কিন্তু কী ভাবে বুঝবেন, ডিটক্স আদৌ দরকার কি না।
১. শারীরিক সমস্যা
চোখের সমস্যা: দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ জ্বালা করা, ঝাপসা দেখা বা মাথাব্যথা হওয়া।
ঘুমের ব্যাঘাত: ঘুমোনোর ঠিক আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ফোন ব্যবহার করা এবং তার ফলে অনিদ্রার সমস্যা।
শরীরে ব্যথা: ঘাড়, পিঠ বা আঙুলে এক টানা ফোন ব্যবহারের পরে অস্বস্তি বা ব্যথা হওয়া।
২. আচরণগত পরিবর্তন
অহেতুক স্ক্রল করা: কোনও নির্দিষ্ট কাজ ছাড়াই বার বার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউব চেক করা।
মনোযোগের অভাব: বই পড়া বা যে কোনও কাজে ৫-১০ মিনিটের বেশি মন বসাতে না পারা।
ফ্যান্টম ভাইব্রেশন: পকেটে ফোন না থাকলেও মনে হওয়া যে ফোনটি ভাইব্রেট করছে বা নোটিফিকেশন এসেছে।
অস্থিরতা : সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যরা কী করছে তা না জানলে অস্থির বোধ করা বা মনে হওয়া আপনি খুবই পিছিয়ে পড়েছেন!
৩. মেজাজ খারাপ হওয়া
বিরক্তি বোধ: ইন্টারনেট কানেকশন ধীরগতি হলে বা ফোন দূরে থাকলে অস্বাভাবিক রাগ বা মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
সামাজিক জীবনে আগ্রহ না থাকা: সামনে উপস্থিত বন্ধু বা আত্মীয়ের সঙ্গে কথা না বলে ফোনের নোটিফিকেশনে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।
তুলনার প্রবণতা: সমাজ মাধ্যমে অন্যের জীবনের ভাল কিছু হতে দেখে নিজের জীবন নিয়ে হতাশ হওয়া।
একটি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, ডিজিটাল ডিটক্স প্রয়োজন কি না
২ ঘণ্টা ফোন সম্পূর্ণ বন্ধ রেখে কোনও প্রিয় কাজ, যেমন: বই পড়া, হাঁটা বা রান্না করার চেষ্টা করুন। যদি ওই সময়ে অস্থিরতা অনুভব করেন, তবে বুঝতে হবে ডিজিটাল ডিটক্স প্রয়োজন।