Yoga for Headache

গরমে মাথাব্যথা, মাথাঘোরার সমস্যা বেড়েছে? ওষুধ না খেয়েও সমস্যার সমাধান হবে সহজ কিছু আসনে

মাথার যন্ত্রণার নানা রকম আছে। মাথার একটি দিকে টানা ব্যথা হতে থাকা মোটেই ভাল লক্ষণ নয়। এই ব্যথা মাইগ্রেনের কারণে হয় না। ঘাড়ের উপরের অংশের স্নায়ুগুলির প্রদাহের কারণে এমন ব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা ওষুধে সহজে সারে না। তা হলে উপায়?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০২
Effective yoga poses to Combat Dizziness and Vertigo Naturally

মাথাযন্ত্রণা, মাথাঘোরা বা মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে সহজ কিছু আসন অভ্যাসে। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

গরমের সময়ে মাথাযন্ত্রণা বা মাথাঘোরার সমস্যা অনেকেরই হয়। আবার ভার্টিগোর সমস্যা থাকলে তা সহজে সারে না। মাথার ব্যথা নিয়ে বড়ই মাথা ঘামান অনেকে। রোদে বেরোলে ব্যথা, বৃষ্টিতে ভিজলে ব্যথা। কখনও মাথার ডান দিকে, কখনও বাঁ দিকে, কখনও মাঝখানে আবার কখনও বাঁ দিক থেকে শুরু করে একেবারে ডান দিক অবধি ব্যথার স্রোত বয়ে যায়। এই ব্যথা মানেই যে মাইগ্রেন বা সাইনাসের কারণে ব্যথা, তা কিন্তু নয়। অনেকেরই দেখবেন, মাথার শুধু একটি পাশে ব্যথা হয়। সেই ব্যথা টানা চলতে থাকে। মাথার একটি দিকের ব্যথা মাসের পর মাস ভোগাতে পারে। ওষুধ খেয়ে বা মলম লাগিয়েও সহজে সারে না। এমন ব্যথাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া’। এ ব্যথার নিরাময় চাইলে, সহজ কিছু যোগাসন শিখে নিতে হবে।

Advertisement

বালাসন

শিশুর হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে মেঝেতে বসুন। এ বার নিতম্ব গোড়ালির উপর রেখে, কপাল মাটিতে ঠেকান। হাত দুটো পিছনে নিয়ে তালু উল্টো করে পায়ের কাছে রেখে দশ অবধি গুনুন। রোজ চার থেকে পাঁচ সেট করুন এই ব্যায়াম। বালাসন অভ্যাস করলে পিঠ, কোমর, কাঁধের ব্যথাও দূর হবে। মানসিক চাপ কমাতেও অত্যন্ত উপযোগী এই আসন।

উত্তনাসন

ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। কোমর, পিঠ থাকবে টান টান। এ বার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে দুই হাতের তালু দিয়ে মাটি স্পর্শ করার চেষ্টা করতে হবে। তবে হাঁটু ভাঙলে হবে না। শরীরচর্চা করার অভ্যাস না থাকলে খুব বেশি ক্ষণ এই অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন না। মোটামুটি ১০ সেকেন্ড মতো থেকে আবার প্রথম অবস্থানে ফিরে আসুন।

পশ্চিমোত্তাসন

প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে দু’ হাত তুলে মাথার দু’ পাশে উপরের দিকে রাখুন। ধীরে ধীরে উঠে বসে সামনে ঝুঁকে দু’ হাত দিয়ে জোড়া পায়ের বুড়ো আঙুল ধরুন। দুই পায়ের মাঝখানে কপাল ঠেকাতে হবে। এ অবস্থায় শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে মনে মনে দশ থেকে তিরিশ গুনুন। তার পর শুরুর অবস্থানে ফিরে যান।

Advertisement
আরও পড়ুন