Remedies for Constipation

নিয়ম করে ভাতের সঙ্গে সব্জি, শাকপাতা খেয়েও কোষ্ঠকাঠিন্য কমছে না? ভুলটা কোথায় হচ্ছে?

রোজের ডায়েটে পর্যাপ্ত মাত্রায় ফাইবার রেখেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকের পিছু ছাড়ে না। মুম্বই নিবাসী পুষ্টিবিদ পরিধি গর্গ জানিয়েছেন ঠিক কী কারণে রোজ শাকপাতা, তরিতরকারি খেয়েও কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন কেউ কেউ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৭
শাকসব্জি খেয়েও কেন কমছে না কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা?

শাকসব্জি খেয়েও কেন কমছে না কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা? ছবি: এআই।

শরীর তখনই ফিট থাকবে, যখন রোজের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাটের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা আবার শরীর চাঙ্গা রাখতে ডায়েটে বেশি করে ফাইবার রাখার পক্ষপাতী। অন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষায় ফাইবারের ভূমিকা অনেকখানি। ফল, শাকসব্জি, দানাশস্যে ফাইবার ভরপুর মাত্রায় থাকে। পেট ভরানো ও পেট পরিষ্কার করাই হল ফাইবারের মূল কাজ। শরীরের টক্সিন বার করে দিতেও সাহায্য করে ফাইবার।

Advertisement

তবে, রোজের ডায়েটে পর্যাপ্ত মাত্রায় ফাইবার রেখেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকের পিছু ছাড়ে না। মুম্বই নিবাসী পুষ্টিবিদ পরিধি গর্গ জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে রোজ শাকপাতা, তরিতরকারি খেয়েও কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন কেউ কেউ। পুষ্টিবিদ বলেন, ‘‘কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে ডায়েটে বেশি বেশি ফাইবার রাখলেই হবে না। ফাইবার কখনওই একা কাজ করতে পারে না।’’

কোথায় খামতি থাকছে?

১) ফাইবার কতটা কাজ করবে, তা পরিপাকতন্ত্রের সঞ্চালনের উপর নির্ভর করে। প্রতি দিন হাঁটাহাঁটি করা, অল্পস্বল্প যোগব্যায়াম, স্ট্রেচিং, এমনকি খাওয়ার পর কয়েক মিনিটের নড়াচড়াও অন্ত্রের গতিবিধিকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করতে পারে।

২) ফাইবার জল শোষণ করে মলকে নরম করে। তাই শুধু খাবারের সময় নয়, সারা দিন ধরে অল্প অল্প করে জল খেতে হবে। শীরে জলের ঘাটতি হলেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রুখতে রোজ সকালে উঠে ঈষদুষ্ণ জল খেয়ে দেখতে পারেন, কাজে আসবে।

৩) ফাইবার প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে মিলেমিশে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। তাই ডায়েটে ফল, সব্জি বা গোটা শস্যের সঙ্গে দই, ডিম, পনির, ডাল, বাদাম বা বীজ রাখলে ফাইবারের কার্যকারিতা বাড়ে, হজম প্রক্রিয়া আরও মসৃণ হয়।

৪) হঠাৎ করে ফাইবার খাবার গ্রহণ বাড়িয়ে দিলে অন্ত্রের উপকার না হয়ে, উল্টে ক্ষতি হতে পারে। পেটের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ালে অন্ত্র এবং অন্ত্রের জীবাণুগুলি স্বচ্ছন্দে মানিয়ে নেওয়ার সময় পায়। হজম ভাল হয়।

৫) অন্ত্র রোজের রুটিন এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্কেতে সাড়া দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রুখতে খাওয়ার সময়, পর্যাপ্ত ঘুমের মাত্রা স্থির রাখতে হবে। তাড়াহুড়ো করে খেলে চলবে না, খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে অন্ত্রের কার্যকারিতা মসৃণ হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন