কী ভাবে বানাবেন গোঁদ কাটিরার শরবত? ছবি: সংগৃহীত।
গরম থেকে বাঁচতে নানা রকম শরবত খাওয়ার চল রয়েছে। পাতিলেবু পুদিনা যেমন শরীর ঠান্ডা রাখে তেমনই তুলসীর বীজ বা সবজা বীজও গরম থেকে শরীরকে বাঁচায়। কিন্তু সেই তালিকায় গোঁদ কাটিরার শরবত কেন রাখবেন?
গোঁদের লাড্ডু বা শরবত বাঙালি মহলে তেমন জনপ্রিয় না হলেও পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে তা খাওয়ার চল আছে। গোঁদ কাটিরা হল একটি নির্দিষ্ট গোত্রীয় গাছের আঠা। তা দেখতে খানিক স্ফটিকের মতো। জলে ভিজিয়ে রাখলে নরম হয়ে জেলের মতো পদার্থে পরিণত হয়।
শরবতের জাদুকরী উপাদান এটাই। কারণ, গোঁদ শরীর ঠান্ডা রাখে। আবার জল টেনে ফুলে নরম হয়ে যায় বলে এতে জলীয় উপাদানও যথেষ্ট। তা ছাড়া দুধ দিয়ে তৈরি শরবতে মেলে ক্যালশিয়াম-সহ আরও নানা পুষ্টি উপাদান। তার সঙ্গে সবজা বীজ মিশিয়ে নিলে, শরীর যেমন ঠান্ডা হবে, তেমনই ফাইবারের মাত্রাও বাড়বে। গরমে বদহজমের সমস্যাও স্বাভাবিক বিষয়। হজম ক্ষমতা ঠিক রাখতেও সাহায্য করে গোঁদ।
কী ভাবে বানাবেন শরবত?
উপকরণ হিসাবে লাগবে ২ টেবিল চামচ গোঁদ কাটিরা, ২ গ্লাস ফুটিয়ে জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে রাখা দুধ, ৫-৬টি কাঠবাদাম কুচি, ১ টেবিল চামচ সবজা বীজ, ২-৩টেবিল চামচ কুচোনো তরমুজ, স্বাদমতো চিনি।
পদ্ধতি: গোঁদ কয়েক ঘণ্টা পানীয় জলে ভিজিয়ে রাখুন। সেটি নরম হয়ে জেলের মতো হয়ে যাবে। এর সঙ্গে ঠান্ডা দুধ, চিনি দিয়ে খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। যোগ করুন তরমুজ, বাদামকুচি এবং বরফের টুকরো। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে গরমে শরীর ঠান্ডা করা শরবত।