পোশাক পরার ভুলভ্রান্তিতেও ঘাম জমে সংক্রমণ হতে পারে। ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।
একদিকে ঝাঁঝাঁ রোদ শরীরে জ্বালা ধরায়, অন্যদিকে ঘাম জমে র্যাশ বেরোয়। গরমে যন্ত্রণার শেষ নেই। উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘাম হয় বেশি। ঘাম বসলে ছত্রাক, ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। ফলে র্যাশ, চুলকানি, ফুস্কুড়ির মতো নানা সমস্যা দেখা যায়।
এই সমস্যার নেপথ্যে শুধু ভ্যাপসা গরম নয়, থাকতে পারে পোশাকের ভুলভ্রান্তিও। মরসুম অনুযায়ী সঠিক পোশাক বাছাই শুধু আরাম দেয় না, বরং সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।
ভুল কোথায়
· কেতাদুরস্ত পোশাক যদি সময়োপোযাগী এবং মরসুমের সঙ্গে মানানসই না হয়, তা হলে এমন সমস্যা হতে পারে। গরমের মরসুমে সুতির হালকা পোশাকই ভাল। সুতি ত্বকবান্ধব। এখন বাজারে অনেক ধরনের কৃত্রিম তন্তুর পোশাক মেলে। সব কিন্তু ত্বকবান্ধব নয়। গরমের জন্য সুতি, লিনেন ভাল।
· পোশাক হওয়া দরকার হালকা। আঁটোসাটো পোশাক গায়ের উপর চেপে থাকে বলে ঘাম বেশি হয়। চুলকানি, র্যাশের সমস্যাও বেড়ে যায় অনেকটাই। এমন পোশাক পরুন যাতে হাওয়া খেলে।
· পোশাকের পরিচ্ছন্নতা খুব জরুরি। এই সময়ে যেহেতু ঘাম হয়, প্রতি দিনই জামা সাবান দিয়ে কেচে নেওয়া দরাকার। তবে শুধু কাচলেই হবে না, রোদে বা হাওয়ায় খুব ভাল করে শুকোতেও হবে। ঘর্মাক্ত জামা না কেচে দিনের পর দিন পরলে তা থেকেও চুলকানি, র্যাশের সমস্যা হতে পারে।
· অন্তর্বাসের পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। অন্তর্বাস যেহেতু শরীরে এঁটে থাকে, তাই দিনভর ঘামে ভেজে। সেগুলি নির্দিষ্ট সময় অন্তর না কাচলে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে।
· ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে শুকোনো পোশাক পরা ঠিক নয়। রোদে বা হাওয়ায় অন্তত ২ ঘণ্টা সেই জামা মেলে রাখা উচিত।