Janu Garudasana

অস্থির মন শান্ত হবে, দুশ্চিন্তা কমবে, ধ্যানে মনঃসংযোগ করতে না পারলে অভ্যাস করুন জানু গরুড়াসন

ছোটদের জন্যও উপযোগী এই আসন। শিশুকে ধ্যান করতে বসানো বেশ ঝক্কির। তার চেয়ে মনোযোগ বাড়াতে জানু গরুড়াসন অভ্যাস করতে পারেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৫ ০৮:৫৮
কী ভাবে করবেন জানু গরুড়াসন?

কী ভাবে করবেন জানু গরুড়াসন? চিত্রাঙ্কন: শৌভিক দেবনাথ।

মনের অস্থিরতা কমাতে ধ্যান করার পরামর্শ দেন অনেকেই। তবে ধ্যানে যদি মন বসাতে না পারেন, তা হলে বিকল্প উপায় হল জানু গরুড়াসন। নিয়মিত এই আসন অভ্যাসে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ কমবে। মন স্থির হবে। ছোটদের জন্যও উপযোগী এই আসন। শিশুরা তো এমনিতেই ছটফটে। তাদের মনকে আয়ত্তে আনা বেশ ঝক্কির। সে ক্ষেত্রেও নিয়মিত এই আসন অভ্যাস করাতে পারলে উপকার হবে।

Advertisement

কী ভাবে করবেন জানু গরুড়াসন?

১) প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। শ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে।

২) হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে বাম ঊরু, ডান পায়ের উপর তুলুন। এমন ভাবে পা রাখতে হবে, যেন দেখে মনে হয়, বাঁ পা, ডান পা-কে পেঁচিয়ে রেখেছে।

৩) এ বার দু’হাত সামনের দিকে প্রসারিত করে কনুই ভাঁজ করুন। ডান হাতের উপর বাঁ হাত পেঁচিয়ে ধরুন। দু’হাত থাকবে প্রণামের ভঙ্গিতে।

৪) লম্বা শ্বাস নিয়ে এই ভঙ্গি ধরে রাখতে হবে অন্তত ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড। তার পর শ্বাস ছেড়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।

৫) ঠিক একই রকম ভাবে দুই পা, হাত বদলিয়ে এই আসন অভ্যাস করতে হবে।

কেন করবেন?

১) শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে আসনটি অভ্যাস করতে পারেন।

২) মনঃসংযোগ বাড়াতে আসনটি করতে পারেন।

৩) ঘাড়, কাঁধের ব্যথা সারতে পারে নিয়মিত অভ্যাসে।

৪) সারা শরীরের ব্যায়াম হয়, পেশির নমনীয়তা বাড়ে।

কারা করবেন না?

হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হলে আসনটি করা যাবে না।

কনুই, গোড়ালিতে ব্যথা থাকলে আসনটি করবেন না।

Advertisement
আরও পড়ুন