স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্ক হোন। ছবি: সংগৃহীত।
নাক-কান-গলার যত্নের প্রতি নির্লিপ্তি থাকে অনেকেরই। আর সেই ছোট ভুলগুলিই ধীরে ধীরে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। নাক, কান, গলার স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। নয়তো জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সম্প্রতি এক নাক, কান ও গলার রোগের অভিজ্ঞ শল্যচিকিৎসক, উত্তরপ্রদেশের আমোদ কুমার একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি নিজে চিকিৎসক হিসেবে তিনটি নিয়ম মেনে চলেন। তাঁর মতে, এ ভাবেই স্বাস্থ্যরক্ষা হতে পারে। সেগুলি আদপে কতখানি প্রয়োজনীয়?
নাক, কান ও গলার রোগের প্রতি সতর্ক হোন। ছবি: সংগৃহীত
১. সুগন্ধি থেকে দূরে থাকা: পারফিউম, ডিয়োডোর্যান্ট ও পাউডার অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করেন না সেই চিকিৎসক। এই ধরনের সুগন্ধিতে রাসায়নিকের উপস্থিতি থাকে। পাশাপাশি অ্যালকোহল ও কৃত্রিম গন্ধ অনেক সময় ত্বকে জ্বালা, অ্যালার্জি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল বা অ্যাজ়মার প্রবণতা আছে। তবে সম্পূর্ণ বাদ না দিয়ে মৃদু, কম গন্ধযুক্ত বা চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষিত পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. নাকের আর্দ্রতা বজায় রেখে ঘুমোতে যাওয়া: চিকিৎসক কখনও নাক শুকনো অবস্থায় ঘুমোতে যান না। নাকের ভিতর আর্দ্রতা বজায় থাকলে শুষ্কতা, জ্বালা বা রক্তপাতের সমস্যা কমে এবং শ্বাস নিতে আরাম হয়, বিশেষ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বা শীতের সময়ে। তবে এখানে সতর্কতাও জরুরি। লবণাক্ত জলের স্প্রে দিয়ে নাকের ভিতর হাইড্রেট করা উচিত। তেলজাতীয় কিছু ব্যবহার করলে অন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
৩. মুখ ধুয়ে ঘুমোতে যাওয়া: দিনের শেষে দাঁত মেজে ফ্লস করে কুলকুচি ও গার্গল করার অভ্যাস রয়েছে চিকিৎসকের। এই রুটিনে চ্যুতি ঘটে না কখনও। কারণ, রাতে ঘুমের সময়ে লালারস কমে যায়, ফলে ব্যাক্টেরিয়া দ্রুত বাড়তে পারে। ফলে দাঁতের ক্ষয়, মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির সমস্যা, এমনকি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই রাতে খাওয়ার পরে মুখ পরিষ্কার করার অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত।