ডাল-ভাত খেয়ে কী ভাবে রোগা হবেন? ছবি: সংগৃহীত।
বেশির ভাগ বাড়িতেই রোজের খাবারে ডাল-ভাত থাকবেই। কোনও কোনও দিন আবার এমনও হয় যে মেনুতে থাকে শুধুই ডাল-ভাত আর ভাজা। অনেকেই মনে করেন ডাল-ভাত বা খিচুড়ি ভীষণ পুষ্টিকর খাবার। তবে যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন বা ফিট থাকতে চাইছেন, তাঁদের জন্য কিন্তু ডাল-ভাত মোটেও সঠিক খাবার নয়। তাই বলে কি রোজের ডায়েট থেকে বাদ দিতে হবে ডাল-ভাত? না, বিষয়টি ঠিক তা নয়। অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়ার ফিটনেস প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিংহ জানাচ্ছেন কী ভাবে ডাল-ভাত খেয়েও ফিট থাকা সম্ভব।
সিদ্ধার্থের মতে, অনেকেই ডাল-ভাত খেয়েই ভাবেন, অনেকটা প্রোটিন খেয়ে ফেলেছেন। তবে ডালে কিন্তু আদৌ যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন থাকে না। কেবল ডাল দিয়েই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়, এটা সবার আগে মাথায় ঢোকাতে হবে। ডাল-ভাত খেয়েই কী ভাবে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মেটাবেন, হদিস দিলেন সিদ্ধার্থ।
১) একটি বড় বাটি ভরে ডাল আর সঙ্গে এক থালা ভাত খান অনেকেই। তবে শরীর চাঙ্গা রাখতে হলে সবার আগে ডাল আর ভাতের পরিমাণ কমিয়ে অর্ধেক করতে হবে। এতে মোট ক্যালোরির পরিমাণও অর্ধেক হবে।
২) ডাল দিয়ে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটানো সম্ভব নয়। তাই ডাল-ভাতের সঙ্গে ১০০ গ্রাম পনির যোগ করতে হবে। লো ফ্যাট পনির হলে সবচেয়ে ভাল। সঙ্গে ২০০ গ্রাম গ্রি়ক ইয়োগার্ট রাখতে পারলে খুব ভাল হয়।
৩) প্রোটিনের পর এ বার ফাইবারের পালা। খাবার সঙ্গে এক বাটি স্যালাড অবশ্যই রাখতে হবে। খুব বেশি বাহারি স্যালাডের প্রয়োজন নেই। এক বাটি ভরে শসা, টম্যাটো, গাজর খেলেই চলবে।