নীল চায়ের কী গুণ, বাড়িতে বানাবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।
অসম চা, দার্জিলিং চা-এর কদর স্বাদ এবং সুগন্ধের জন্য। তবে ইদানীং চায়ের চাহিদা তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্য ভাল রাখতে। বাজারে এসেছে ‘ভেষজ চা’। ক্যামোমাইল চা, জবা চা, মাচা চায়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় রয়েছে ব্লু টি বা নীল চা-ও।
দুধ চা বা লাল চায়ের বদলে এখন অনেকেই চুমুক দিচ্ছেন নীল চায়ে। কারণ, ভেষজ এই চায়ে ক্যাফিন নেই, উল্টে তা অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস শরীরের ক্ষতি করে, সেই ক্ষতির হাত থেকেই রক্ষা করে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। লাল চা-এর মতো কড়া বা তেতো নয়, বরং এর স্বাদ একেবারেই অন্য রকম। তবে লাল চা-এর মতোই এটি দুধ-চিনি দিয়ে খাওয়া যায় না। বরং চিনি ছাড়াই তা স্বাস্থ্যকর।
নীল চা হল, অপরাজিতা ফুলের পাপড়ি থেকে তৈরি চা। এক এক রকম সংস্থা এক এক রকম ভাবে তা তৈরি করছে। তবে পুষ্টিকর এই চা বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন, কোনও রকম খরচ ছাড়াই।
পদ্ধতি
ফুলের গুঁড়ো: অপরাজিতা ফুল পাওয়া মোটেই কঠিন নয়। ফুলের দোকানে মেলে, অনেকের বাড়ির বাগানেও থাকে অপরাজিতা গাছ। বেশ কয়েকটি ফুল ধুয়ে কাপড় দিয়ে জল মুছে রোদে শুকিয়ে নিন। ভাল ভাবে শুকিয়ে গেলে মিক্সারে গুঁড়িয়ে কৌটোয় ভরে রেখে দিন। জল গরম করে গুঁড়ো মিশিয়ে মিনিট পাঁচেক রেখে দিন। তার পরে ছেঁকে সেটি খান।
টাটকা ফুল: টাটকা ফুল দিয়েও এই চা বানানো যায়। ফুল ভাল করে ধুয়ে নিন। জল গরম হতে দিন। তার মধ্যে অপরাজিতা ফুল দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে ৫-৭মিনিট রাখুন। তার পরে ছেঁকে নিন। স্বাদের জন্য লেবু বা মধুও এতে যোগ করতে পারেন।
আইস টি: অপরাজিতা চায়ে কয়েক টুকরো বরফ ফেলে শীতল পানীয় হিসেবেও খেতে পারেন।