জ্বর মাপার সময়ে ৩টি ভুল এড়িয়ে চলুন। ছবি: সংগৃহীত।
ঠান্ডা-গরমের ফারাকে ঘন ঘন সর্দি-কাশি, জ্বর হচ্ছে শিশুদের। সেই সঙ্গে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপও রয়েছে। ঘরে ঘরে ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত খুদেরা। জ্বরের সঙ্গে শুকনো কাশি, শ্বাসের সমস্যাও হচ্ছে অনেকের। শিশুর জ্বর হলেই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যদি দেখা যায়, জ্বর তিন দিনের বেশি রয়েছে, তা হলে কিছু পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি। আর শুরু থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়াতে হবে। শিশুদের জ্বর পরিমাপ করতে হবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর। খুদের জ্বর মাপার সময় অনেকেই মা-বাবাই কিছু ভুল করে বসেন। জেনে নিন, জ্বর পরিমাপের সময় কোন কোন ভুল এড়িয়ে চলবেন।
১) অনেক সময় শিশুর গায়ে হাত দিয়েই জ্বর পরিমাপ করেন কেউ কেউ। গা গরম মানেই জ্বর হয়েছে, ধরে নেওয়া হয়। এই ভুল করা কখনওই উচিত নয়। শিশুদের বিপাকহার বড়দের তুলনায় বেশি থাকে, তাই তাদের শরীরের তাপমাত্রাও বড়দের তুলনায় সব সময় বেশি থাকে। তাই শিশুদের গায়ে হাত দিলে গরম লাগাই স্বাভাবিক। সে কারণে গায়ে হাত দিয়ে শিশুর জ্বর মাপা কখনওই উচিত নয়।
২) জ্বর মাপার জন্য সব সময় ডিজিটাল থার্মোমিটারই ব্যবহার করুন। আর শিশুর বাহুমূলের নীচে থার্মোমিটার রাখলেই সবচেয়ে ভাল জ্বর পরিমাপ করা যায়। থার্মোমিটারের ভাল্ভটি যেন শিশুর ত্বকে ভাল ভাবে ছোঁয়ানো থাকে, সে বিষয়টি নজরে রাখুন। শিশুর বগলের তাপমাত্রা ৯৯.৫ ফারেনহাইট থাকা স্বাভাবিক।
৩) শিশুর জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়ালে তবেই কিন্তু ওষুধ খাওয়ানো উচিত। জ্বরের সঙ্গে শিশু ঘ্যান ঘ্যান করলে, তার চোখ ছল ছল করলে, তবেই ওষুধ দিন। গা গরম বলেই জ্বরের ওষুধ খাইয়ে দেওয়া কখনওই উচিত নয়।