Influenza vaccine benefits

ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিলে কি শিশুর সর্দি-কাশির ধাত কমে যাবে? কী বলছেন চিকিৎসক?

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে অনেক রোগীকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। বাদ পড়ে না শিশুরাও। অনেক অভিভাবকের মনেই প্রশ্ন আসে ফ্লু ভ্যাকসিন বা ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন নিলেই কি শিশুদের সর্দি-কাশির ধাত কমে যায়?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১০:৫৭
If a child gets the influenza vaccine, will their tendency for colds and coughs decrease

ফ্লু-এর টিকা কি খুদের সর্দি-কাশির ধাত কমাতে পারে? ছবি: সংগৃহীত।

কাশি আর সঙ্গে জ্বর! দু-তিন মাস ধরে এমন উপসর্গ দেখা দিলে তা মোটেই ভাল লক্ষণ নয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর মতে এই উপসর্গগুলির জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের এইচ৩এন২ উপরূপ। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই এইচ৩এন২ উপরূপের কারণেই রোগীরা সবচেয়ে বেশি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বাদ পড়ছে না শিশুরাও। অনেক অভিভাবকের মনেই প্রশ্ন আসে ফ্লু ভ্যাকসিন বা ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন নিলেই কি শিশুদের সর্দি-কাশির ধাত কমে যায়?

Advertisement

বড় হোক বা শিশু, সর্দি-কাশি মূলত তিনটি কারণের জন্য হয়। চিকিৎসক অর্পণ সাহা বলেন, ‘‘মূলত ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া আর অ্যালার্জিজনিত কারণে সর্দি-কাশি হয়ে থাকে। পৃথিবীতে কিন্তু একাধিক ভাইরাসের বাস। তার মধ্যে ফ্লু অন্যতম। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শরীরে মারাত্মক প্রভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি কিংবা যাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রভাবে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও শুরু হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই রোগীকে হাসপাতালেও ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে। তাই শিশু হোক বা বয়স্ক, ফ্লু-এর ভ্যাকসিন নেওয়ার অবশ্যই প্রয়োজন আছে।’’

সাধারণত ছ’ মাস বয়সের পর শিশুদের ফ্লু ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। প্রথম বছর দু’বার। তার পর ৫ বছর বয়স পর্যন্ত বছরে একটি করে টিকা দেওয়া হয়। যে সব শিশুদের অ্যালার্জি, হাঁপানি বা সর্দি-কাশির ধাত রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ৫ বছরের পরেও এই টিকা নিতে হতে পারে। অর্পণ বলেন, ‘‘ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন নিলেই যে শিশুর সর্দি-কাশির ধাত কমে যাবে, এই ধারণা ভুল। তবে এই টিকা নেওয়া থাকলে শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জা হানা দিলেও তার প্রভাব ততটা মারাত্মক হবে না। ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন