Health Benefits of Coconut Water

গরমের দিনে নানা রোগের দাওয়াই, তবে শীতের মরসুমে কি ডাবের জল খাওয়া উপকারী?

শীত পড়তেই অনেকেই রোজের ডায়েট থেকে ডাবকে ব্রাত্য করে দেন। এই অভ্যাস কিন্তু মোটেও ঠিক নয়, কারণ শীতেও ডাবের জল খাওয়ার দরকার আছে। ঠান্ডায় ডাবের জল খাওয়ার সুফলগুলি কী?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৭
শীতকালে কি ডাবের জল খাওয়া উপকারী?

শীতকালে কি ডাবের জল খাওয়া উপকারী? ছবি: এআই।

গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ডাবের জলের জুড়ি মেলা ভার। একরাশ ক্লান্তি নিমেষে কেটে যায় এই পানীয়ে চুমুক দিলে। তা ছাড়া শরীর চাঙ্গা এবং তরতাজা রাখতেও ডাবের জল ভীষণ উপকারী। তবে ডাবের জলের সঙ্গে শুধু গ্রীষ্মকালেই সুসম্পর্ক রাখতে হবে, এমন কোনও মানে নেই। শীত পড়তেই অনেকেই রোজের ডায়েট থেকে ডাবকে ব্রাত্য করে দেন। এই অভ্যাস কিন্তু মোটেও ঠিক নয়, কারণ শীতেও ডাবের জল খাওয়ার দরকার আছে। ঠান্ডায় ডাবের জল খাওয়ার সুফলগুলি কী?

Advertisement

শরীর আর্দ্র রাখে

শীতকালে জল খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়। ফলে শরীর শুষ্ক হয়ে পড়ে। তবে শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ডাবের জল খেতে পারেন। তাতে শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকবে। সেই সঙ্গে ত্বকও চকচকে এবং ঝলমলে হয়ে উঠবে।

শরীরে পুষ্টির জোগান

শীতকাল বলে কি শরীরে পুষ্টির দরকার নেই? ডাবের জলে রয়েছে পটাশিয়াম এবং সো়ডিয়াম, যা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখে। ফলে শরীর চাঙ্গা থাকে। দুর্বলতা কেটে যায়।

হজমের গোলমাল কমায়

শীতকাল মানেই নানা উৎসব। সঙ্গে পার্টি, পিকনিক তো আছেই। আর সব কিছুর উদ্‌যাপনের কেন্দ্রে থাকে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। শীতে ডাবের জল খেতে পারলে হজমের গোলমাল সহজে দূর হবে।

শীতে নারকেল জল খেতে হবে একটু হিসেব করে

১) শীতে ডাবের জল খেতে হবে ঘরের তামপাত্রায়। ফ্রিজে রেখে ডাবের জল খেলে চলবে না।

২) রাতে ডাবের জল খাবেন না। সারা দিন শরীর তরতাজা রাখতে সকালে জলখাবার আর দুপুরের খাবারের মাঝের সময়টা ডাবের জল খেতে পারেন।

৩) ডাবের জল শরীর ঠান্ডা করে। যাঁদের ঠান্ডা লেগেছে তাঁরা এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো বা আদা কুচি দিয়ে ডাবের জল খেতে পারেন।

কারা খাবেন না?

১) ডাবের জলে ইলেক্ট্রোলাইটের পরিমাণ বেশি। পটশিয়াম, সোডিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ানের মতো খনিজ থেকেও অ্যালার্জি-জনিত সমস্যা হতে পারে। যাঁদের ডাবের জল খেলে অ্যালার্জি হয়, তাঁরা এই পানীয় খাবেন না।

২) এই পানীয়ে প্রাকৃতিক শর্করা, অর্থাৎ ফ্রুক্টোজ়ের পরিমাণ বেশি। ডায়াবিটিস থাকলে রোজ ডাবের জল খেতে নিষেধ করেন পুষ্টিবিদেরা।

৩) কিডনির সমস্যা থাকলে পটাশিয়াম–সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া যায় না। ডাবের জলে যে হেতু এই খনিজটির পরিমাণ বেশি, তাই বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন