Kareena Kapoor Fitness

সুস্থ থাকতে কোন ধরনের শরীরচর্চা করেন করিনা? নায়িকার ভিডিয়োয় ৫টি ব্যায়াম প্রকাশ্যে

এখনও পরের প্রজন্মের নায়িকাদের দশ গোল দিতে পারেন করিনা কপূর খান। শৃঙ্খলাবদ্ধ যাপনের মাধ্যমে নিজের প্রতিভা, সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্যের লালন করেন ৪৫ বছরের নায়িকা। তাঁরই ব্যায়ামের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৪
কোন কোন ব্যায়াম করেন করিনা কপূর খান?

কোন কোন ব্যায়াম করেন করিনা কপূর খান? ছবি: সংগৃহীত।

দুই সন্তানের মা। ৪৫ বছর বয়স। বলিউডে তাঁর পরের প্রজন্ম চলে এসেছে। তাও করিনা কপূর খান এখনও যে ভাবে নিজের প্রতিভা, সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্যের লালন করেন, তা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে। এখনও পরের প্রজন্মের নায়িকাদের দশ গোল দিতে পারেন সইফ আলি খানের স্ত্রী। দু’বার অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীনও শরীরের যত্ন নিয়েছেন একই ভাবে। যথাসম্ভব সক্রিয় থেকেছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর ফিটনেস প্রশিক্ষক মহেশ ঘনেকর বলি তারকার শরীরচর্চার রুটিনের এক ঝলক প্রকাশ্যে এনেছেন। সেখান থেকে জানা গেল, এখন কোন কোন ব্যায়াম করছেন নায়িকা।

Advertisement

মহেশের লেখা থেকে স্পষ্ট হল, প্রবল শরীরচর্চা নয়, বরং নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে শরীরকে সক্রিয় রাখতে চান তিনি। প্রশিক্ষক করিনার ভিডিয়োর পাশে লিখেছেন, ‘‘শরীরে শক্তি রয়েছে কি না, শরীর কষ্ট সহ্য করতে পারছে কি না, তার উপর নির্ভর করে ফিটনেস। কেবল ওজন ঝরিয়ে কোনও লাভ হয় না। স্বাস্থ্যে মন দিলে বাকিটাও হয়ে নিজে থেকেই। করিনা কপূর খান ঠিক সেটাই দেখিয়েছেন, দীর্ঘ মেয়াদি ফিটনেসের জন্য কী কী প্রয়োজন।’’

করিনার শরীরচর্চার ঝলক।

করিনার শরীরচর্চার ঝলক। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

করিনার ভিডিয়োটি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মুহূর্তের মন্তাজে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রকমারি ব্যায়াম করছেন করিনা।

সেগুলি কী কী?

· ১০ কেজি ওজনের ভারোত্তোলন করছেন নায়িকা। এই ব্যায়ামকে ডেডলিফ্‌ট বলা হয়। করিনা ওজন ভরা বারবেল ধরে ব্যায়াম করছেন।

· অ্যারোবিক স্টেপারে পায়ের ব্যায়াম করছেন।

· বারবেল ধরা ও ছাড়ার ব্যায়াম করে হাতের পেশির জোর বাড়াচ্ছেন।

· দুই হাতে মেডিসিন বল ধরে পায়ের নীচ দিয়ে ঘুরিয়ে আনার ব্যায়ামও করছেন। এতে কোর পেশির জোর বাড়ার পাশাপাশি শরীরের সমন্বয় রক্ষা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

· দুই হাতে ডাম্বেল। ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের কাছে যাচ্ছেন, আবার বাঁ হাত দিয়ে ডান পায়ের কাছে। এতে পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়।

Advertisement
আরও পড়ুন