Side-effects of plum cancy

২ বছরের নীচে শিশুদের চিনি খাওয়া বারণ, গরমে তাদের কি তালমিছরি দিয়ে তৈরি শরবত খাওয়ানো যায়?

অনেক বাড়িতেই খুব ছোট শিশুদের তালমিছরি খাওয়ানো হয় নিয়মিত। এই অভ্যাস কতটা ভাল? চিনির বদলে কি তাদের তালমিছরি খাওয়ানো নিরাপদ?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১৮:১০
তালমিছরি কতটা নিরাপদ?

তালমিছরি কতটা নিরাপদ? ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

রাজ্যে বর্ষা ঢুকে পড়লেও গরমের হাত থেকে নিস্তার নেই। গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে অনেক বাড়িতেই তালমিছরি খাওয়ার চল আছে। তালমিছরিতে থাকে ইনুলিন নামক এক ধরনের প্রিবায়োটিক ফাইবার, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাক্টেরিয়াকে পুষ্টি জোগায় এবং পরিপাকতন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

Advertisement

সেলেনিয়াম, জ়িঙ্ক ও ভিটামিন সমৃদ্ধ তালমিছরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী করে। সংক্রমণ, সর্দি ও ফ্লু-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। কিন্তু পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক জানাচ্ছেন, চিনির মিছরি বা তালমিছরি, কোনওটাতেই পুষ্টিগুণ তেমন মেলে না। তবে খাঁটি তালমিছরিতে খুব স্বল্প পরিমাণে হলেও, পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালশিয়াম থাকে। চিনির তুলনায় তালমিছরির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। ফলে চিনি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা যত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে, এতে নয়। এ ছাড়াও এতে থাকে কার্বোহাইড্রেট এবং শর্করা।

সুগারের রোগীদের ক্ষেত্রে কিন্তু চিনির বিকল্প তালমিছরি হতে পারে না। তালমিছরি খেলেও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়বে, তবে চিনির থেকে একটু কম। যিনি ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তাঁকেও তালমিছরি বাদ দিতে হবে। শিশু, বয়স্ক মানুষ, যাঁদের শরীর দুর্বল, তাঁদের জন্য মিছরির জল ভাল। মিছরির শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে। তা ছাড়া, গরমে ঘেমে-নেয়ে ক্লান্ত হয়ে গেলেও এই জল শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দ্রুত ক্যালোরির ঘাটতি পূরণ করবে। আবার পিসিওএস, কিডনির সমস্যা থাকলে, সুক্রোজ খাওয়া বারণ হলে তালমিছরি খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

দু’বছরের নীচের শিশুদের চিনি খাওয়া বারণ। তারা কি তালমিছরি খেতে পারে?

অনেক বাড়িতেই খুব ছোট শিশুদের তালমিছরি খাওয়ানো হয় নিয়মিত। চিকিৎসক অর্পণ সাহা বলেন, ‘‘তালমিছরির মিষ্টতা সাধারণ চিনির তুলনায় অর্ধেক। তবে এটিও তাল থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের প্রসেস্‌ড সুগার। দু’ বছরের নীচের শিশুদের প্রক্রিয়াজাত চিনি দিতে সব সময়েই বারণ করা হয়। আর সেই কারণেই তালমিছরি তাদের খাওয়ানো চলবে না।’’

Advertisement
আরও পড়ুন