weight Loss Tips

স্টেরয়েড যুক্ত ওষুধ খেয়ে ওজন বেড়েছিল অনুরাগ কাশ্যপের! কী ভাবে ২৭ কেজি ঝরালেন পরিচালক?

দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগেছেন ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’-এর পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। কয়েক বছর আগে তাঁর মদ্যপানের মাত্রা খুব বেড়ে যায়, হৃদ্‌রোগে আক্রান্তও হন তিনি। তখন ওজনও বেশ খানিকটা বেড়েছিল অনুরাগের। তবে ২৭ কেজি ওজন ঝরিয়ে এখন ফিট আছেন তিনি। কী ভাবে মেদ ঝরিয়েছেন পরিচালক?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:০৫
২৭ কেজি ওজন ঝরিয়ে কী ভাবে ফিট হলেন অনুরাগ?

২৭ কেজি ওজন ঝরিয়ে কী ভাবে ফিট হলেন অনুরাগ? ছবি: সংগৃহীত।

৫৩ বছরে পা দিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। আপাতত বলিউড থেকে দূরে এক মালয়ালি ছবির পরিচালনায় ব্যস্ত তিনি। দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগেছেন ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’-এর পরিচালক। কয়েক বছর আগে তাঁর মদ্যপানের মাত্রা খুব বেড়ে যায়, হৃদ্‌রোগে আক্রান্তও হন তিনি। তখন ওজনও বেশ খানিকটা বেড়েছিল অনুরাগের। তবে ২৭ কেজি ওজন ঝরিয়ে এখন ফিট আছেন তিনি। কী ভাবে মেদ ঝরিয়েছেন পরিচালক?

Advertisement

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের কঠিন সময় নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন অনুরাগ। পরিচালক বলেন, ‘‘আমার সেই সময় হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। সেটা সামলে উঠতেই একের পর অ্যাজ়মা অ্যাটাক। স্টেরয়েড নিতে শুরু করি, নিজেকে তখন চিনতেই পারতাম না। বুঝেই উঠতে পারছিলাম না, আমার মতো ফিট মানুষ, যে রোজ শরীরচর্চা করে, তার হঠাৎ করে কী হল? দিন দিন ওজন বেড়ে যাচ্ছিল, মাথার চুল পাকতে শুরু করেছিল, মুঠো মুঠো চুল উঠতে শুরু করেছিল— কারণটা কিছুতেই ধরতেই পারছিলাম না।’’

তার পর জীবনযাত্রায় বড় বদল আনেন অনুরাগ। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে ‘লিকুয়িড ডায়েট’ শুরু করেন। মানসিক চাপ কমাতে থেরাপি আর যোগাসনের সাহায্য নেন। অনুরাগ বলেন, ‘‘পুষ্টিবিদ আমায় ১১ দিন তরল ডায়েটে থাকতে বলেছিলেন। প্রথম ক’দিন খুব কষ্ট হয়েছিল, সাংঘাতিক খিদে পেত। তবে নিজেকে সামলে নিয়ে ১১ দিন টানা তরল খেয়ে থেকেছিলাম। প্রথম বার আমার শরীরে বড় রকম বদল লক্ষ করছিলাম। সেই সময় প্রায় ২৭ কেজি ওজন কমিয়েছিলাম আমি। আমার যোগ প্রশিক্ষক আমায় প্রাণায়াম শিখিয়েছিলেন। প্রাণায়াম করলে আমার মন শান্ত থাকত, উদ্বেগ কাটত। সারা দিন কাজ, খাওয়াদাওয়া আর ঘুম— এর বাইরে অন্য কিছু ভাবতাম না আমি। তবে সেই সময় বুঝেছিলাম, নিজেকে ভাল রাখার জন্য বেশ খানিকটা সময় খরচ করা একান্ত প্রয়োজন।’’

মুম্বইয়ের জীবন থেকে দূরে থেকে এখন অনেকটাই ভাল আছেন অনুরাগ। মুম্বইয়ের অভিজ্ঞতার একেবারে উল্টো পরিস্থিতি দক্ষিণ ভারতে, মত পরিচালকের। মুম্বই ছেড়ে যাওয়ার পরেই তাঁর জীবন, রোজকার অভ্যাস— সব ভাল হতে থাকে, দাবি পরিচালকের। তাঁর কথায়, “লোকজনকে অযথা সময় দিতে হয় না। স্বাভাবিক ভাবেই, আমি ব্যায়াম শুরু করেছি, লেখাও শুরু করেছি।”

Advertisement
আরও পড়ুন