cervicogenic headache

ঘাড় থেকে কি মাথার যন্ত্রণা শুরু হচ্ছে? সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথার সমস্যা ঠিক কী কী কারণে বাড়ছে?

সাধারণ মাথাব্যথা নয়, সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথায় সার্ভিকাল মেরুদণ্ড (ঘাড়) এবং আশপাশের পেশি থেকেও যন্ত্রণা শুরু হয়। অনেকেই এই সমস্যাকে মাইগ্রেন ভেবে ভুল করেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩১
সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথার কারণ কী?

সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথার কারণ কী? ছবি: শাটারস্টক।

দীর্ঘ ক্ষণ স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা, একই আসনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই ভঙ্গিতে বসে কাজ, ঘাড় সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি— এই সমস্ত কারণে সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে আইটি পেশাদার এবং যাঁরা ডেস্ক ভিত্তিক কাজ করেন, তাঁরা মূলত এই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রায়শই। সাধারণ মাথাব্যথা নয়, সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথায় সার্ভিকাল মেরুদণ্ড (ঘাড়) এবং আশপাশের পেশি থেকেও যন্ত্রণা শুরু হয়। অনেকেই এই সমস্যাকে মাইগ্রেন ভেবে ভুল করেন।

Advertisement

সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথার লক্ষণ কী?

অনেক সময়ে ঘাড় থেকে ব্যথা শুরু হয়ে মাথার পিছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকেরা বলছেন, সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথার লক্ষণ এটি। অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা এই ধরনের ব্যথার জন্ম নেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যথা বাড়তে থাকে। ব্যথা সাধারণত মাথার খুলির শেষপ্রান্ত বা ঘাড়ের উপরের অংশ থেকে শুরু হয়, তার পর মাথা, চোখের পিছনে বা চোয়ালের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কোন কোন লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?

১) ঘাড়ের পেশিগুলি শক্ত হয়ে যাওয়া

২) ঘাড়ের পিছনে স্নায়ুর সমস্যা

৩) ঘাড়ে তীব্র যন্ত্রণা

৪) মাথা ঘোরানো

৫) কোনও কোনও ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

স্ক্রিন ব্যবহারের সময় মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে রাখার ফলে সার্ভিকাল মেরুদণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, স্টারনোক্লিডোমাস্টয়েড, উপরের ট্র্যাপিজিয়াস এবং সাবঅক্সিপিটালের মতো পেশিগুলি শক্ত হয়ে যায় এবং ক্লান্ত হয়ে পড়ে। নড়াচড়ার অভাব এবং এক টানা বসে থাকার অভ্যাস সমস্যাটিকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

Advertisement
আরও পড়ুন