Protest of NSQF teachers

স্থায়ীকরণ ও এজেন্সি প্রথা বিলুপ্তির দাবিতে বিধানসভা অভিযান শিক্ষকদের, আটকালো পুলিশ

এনএসকিউএফ শিক্ষকদের অভিযোগ, এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালনার ফলে প্রত্যেক মাসে তাঁদের সকলের বেতন হচ্ছে না। এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়টি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৪
নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব চিত্র।

বেতন এবং স্থায়ীকরণের দাবিতে বিধানসভা অভিযান করলেন পশ্চিমবঙ্গ এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিলস কোয়ালিফিকেশন ফ্রেম ওয়ার্ক) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ওয়েলিংটনে মিছিল আটকালো পুলিশ।

Advertisement

এনএসকিউএফ শিক্ষকদের অভিযোগ, এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালনার ফলে প্রত্যেক মাসে তাঁদের সকলের বেতন হচ্ছে না। এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়টি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের আরও দাবি, শিক্ষা দফতরের অধীনে সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাদের নিয়ে আসতে হবে এবং সরকারকে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, কয়েক বছর আগে তাঁদের নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কারিগরি বিভাগের অধীনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ করে তৃতীয় পক্ষ এজেন্সি। এর ফলে বেতন বৃদ্ধি অনিয়মিত হয়ে পড়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকেরা। তাঁদের বক্তব্য, গত ১২ বছর ধরে বোনাসও দেওয়া হয় না। চলতি বছর জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ এ প্রসঙ্গে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন বঞ্চিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতিনিধিরা। তারপরে বকেয়া দু'মাসের বেতনের টাকা এজেন্সি পাঠালেও তা এখন‌ও শিক্ষকদের হাতে পৌঁছোয়নি বলে জানাচ্ছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি নিরুপম কোলে বলেন, “২০১৩ সাল থেকে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক হিসেবে কাজ করছি। ১,৬১১টি স্কুলে ৩,২২২ জন শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার ছেলেখেলা করছে। এজেন্সির মাধ্যমে যে দুর্নীতি চলছে তা থেকে আমাদের মুক্তি দিতে হবে।”

এ দিন শিয়ালদহ থেকে বিধানসভা অভিযান করেন শিক্ষকরা। হঠাৎই এস এন ব্যানার্জি রোড থেকে এই মিছিল ওয়েলিংটন- এর থেকে ঘুরিয়ে দেয় পুলিশ। এবং তাঁদের সেখানে আটকে দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের তরফে পুলিশের মাধ্যমে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে দেখা করার জন্য বার্তা পাঠানো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, যতক্ষণ না তাঁদের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা নেওয়া হবে তাঁরা রাজপথে আন্দোলন থেকে সরবেন না।

Advertisement
আরও পড়ুন