Masaba Gupta Weight Loss Journey

১৫ কেজি ওজন ঝরালেন মাসাবা! তবে কৃচ্ছ্রসাধন করে নয়, ধৈর্য ধরে লক্ষ্যভেদ করেছেন নীনা-কন্যা

নীনা গুপ্তের কন্যা সম্প্রতি নিজের ছ’বছরের ওজন হ্রাসের যাত্রার ছবি পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। তাঁর ছবিতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে পরিবর্তন। তবে তাঁর স্বীকারোক্তি অন্য বার্তা দিচ্ছে ফিটনেস সম্পর্কে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ১২:৪২
মাসাবা গুপ্তের ওজন হ্রাসের কাহিনি।

মাসাবা গুপ্তের ওজন হ্রাসের কাহিনি। ছবি: সংগৃহীত।

আজকের দিনে ওজন কমানোর আলোচনা প্রায়শই বাহ্যিক চেহারার ভাল-মন্দের দিকে বাঁক নিয়ে নেয়। আর সেখান থেকেই শুরু হয় কৃচ্ছ্রসাধন, নিজেকে অনাহারে রাখা, কষ্ট দেওয়া। কিন্তু বলিউড তারকা তথা পোশাকশিল্পী মাসাবা গুপ্তের সাম্প্রতিক স্বীকারোক্তি খানিক অন্য কথা বলছে। শরীরকে শাস্তি দিয়ে নয়, বরং যত্ন নিয়েই ফিট থাকা সম্ভব। আর তাই ১৫ কেজি ওজন ঝরাতে ৬ বছর সময় লেগেছে তাঁর, ৬ মাস নয়।

Advertisement

নীনা গুপ্তের কন্যা সম্প্রতি নিজের ছ’বছরের ওজন হ্রাসের যাত্রার ছবি পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। তাঁর ছবিতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই পরিবর্তন। পোস্টের ক্যাপশনে মাসাবা নিজেই জানিয়েছেন, ৬ বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন। তার মধ্যে মাতৃত্বের কারণেও দেহের আকারে নানা বদল এসেছিল। ফলে আগের মাসাবা এবং এখনকার মাসাবার মধ্যে কোনও মিলই আর খুঁজে পান না তিনি নিজে। তবে নীনা-কন্যার মতে, সবচেয়ে বড় বিষয় শুধু রোগা হওয়া নয়, বরং সুস্থ ও ফিট হয়ে ওঠা। তাঁর লেখায়, ‘‘ফিটনেসের থেকে বড় উপহার কিছু হতে পারে না। ধীরে ধীরে এবং স্থায়ী পন্থায়। কেবল এই পদ্ধতিটিই আমার চেনা।’’

নীনা গুপ্তের কন্যা মাসাবা গুপ্ত।

নীনা গুপ্তের কন্যা মাসাবা গুপ্ত।

শরীরের এই পরিবর্তন রাতারাতি আসেনি। বরং এটি দীর্ঘ সময় ধরে তৈরি হওয়া অভ্যাস, শৃঙ্খলা এবং একনাগাড়ে পরিশ্রমের ফল। তাই তো তিনি ফিটনেসকেই সবচেয়ে বড় উপহার হিসেবে দেখছেন। মাসাবার এই অভিজ্ঞতা অনেকের জন্য শিক্ষণীয় কারণ, দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় ওজন কমানো শরীরের জন্য তুলনায় বেশি স্বাস্থ্যকর। খুব দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করলে অনেক সময়ে পেশিক্ষয়, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া বা মানসিক চাপ বাড়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি, কিছু দিন পরে সেই ওজন আবার বেড়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাবার এবং ঘুমের উপর জোর দেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে। তাতে ওজন হ্রাস স্থায়ী হয় এবং শরীরও ভেঙে পড়ে না।

মাসাবা তাঁর পোস্টে কোথাও দেহের নিখুঁত গড়ন অর্জন করার কথা বলেননি। বরং নিজের শরীরের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি করার কথাই তুলে ধরেছেন। আজকের রিল-নির্ভর সময়ে, যেখানে প্রায়ই অবাস্তব সৌন্দর্যের মানদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া হয়, সেখানে এই বার্তা অনেকের কাছেই স্বস্তিদায়ক বলে মনে হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন