টক দই ছাড়া প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক বিকল্প আর কী আছে? ছবি: সংগৃহীত।
হজমের সমস্যায় কমবেশি সকলকেই ভুগতে হয়। একটু বেশি খেয়ে ফেললে কিংবা একটু বেশি ভাজাভুজি জাতীয় খাবার বা মশলাদার খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজমের সমস্যা হতেই পারে। এ বার পেটের সমস্যা শুরু হতেই কিছু মানুষ ছোটেন ওষুধের দোকানে। সেখান থেকে অ্যান্টাসিড জাতীয় ওষুধ কিনে সমস্যার মোকাবিলা করতে চান। তবে এ ভাবে গলা-বুক জ্বালা বা হজমের সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ, এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে প্রথমে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হবে। না হলে কোনও ভাবেই পেটের রোগ সারবে না। তাই খাবার হজম না হলেই মুঠো মুঠো ওষুধ খাওয়া কিন্তু সমাধানের পথ হতে পারে না। এর বদলে ভরসা রাখতে পারেন প্রোবায়োটিকের উপরে। প্রোবায়োটিক বললেই দইয়ের কথা প্রথমে মাথায় আসে। তবে এ ছাড়াও প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক বিকল্প রয়েছে।
ক্যাফির: ক্যাফির হল প্রাকৃতিক উপায় গেঁজানো একটি খাবার। এতে থাকে অনেক উপকারী ব্যাক্টেরিয়া এবং ইস্ট। হজমশক্তি চাঙ্গা করতে ক্যাফির দারুণ উপকারী। সাধারণ দইয়ের থেকে হজমের ক্ষেত্রে ক্যাফির কয়েক গুণ বেশি উপকারী। দু’থেকে তিনটি ক্যাফির দানা দুধে ভিজিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন। পরের দিন ওই দুধ ছেঁকে খেয়ে নিন। সাত দিন এই পানীয় খেলেই হজমশক্তি বাড়বে। দূর হবে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা।
বিটের কাঞ্জি: কাঞ্জিতে থাকে প্রোবায়োটিক, ফাইবার আর হজমে সাহায্যকারী প্রাকৃতিক উৎসেচক। এটি লিভারের কার্যকারিতা সচল রাখতেও সাহায্য করে, রক্তকেও পরিশুদ্ধ করে। বিটে থাকা বিভিন্ন যৌগ শরীরে নাইট্রিক অ্যাসিডের জোগান বাড়ায়। কাঞ্জি বানানোর জন্য একটি কাচের জগে জল নিয়ে তাতে বিটের কুচি, নুন আর সর্ষে মিশিয় নিন। এ বার পাত্রটি ৩-৪ দিন রোদে রাখুন। রোদে রাখলে মিশ্রণটি থেকে হালকা পচা গন্ধ বার হবে। প্রথম ক’দিন দু’থেকে তিন টেবিল চামচ এই পানীয় খেতে শুরু করুন। তার পর ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে শুরুন।