Shoulder Pain Relief

ব্যায়াম করেও ঘাড়ের ব্যথা কমছে না! ভুল বালিশে শুচ্ছেন না তো? সতর্ক হোন আগে থেকেই

ঘুম থেকে উঠেই ঘাড়ে ব্যথা, এবং ঘাড়ের পেশিগুলি শক্ত হয়ে গেলে অনেকেই ভেবে নেন, আগের দিন একটানা অফিসের কাজ করে হয়তো এই হাল হয়েছে। কিন্তু দিনের পর দিন এমন হতে থাকলে বালিশের দিকে নজর দিন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৩:২০
কেন কমছে না ঘাড়ের যন্ত্রণা?

কেন কমছে না ঘাড়ের যন্ত্রণা? ছবি: সংগৃহীত।

যন্ত্র ছাড়া জীবন অচল। অফিসের কাজ, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা, মনের মানুষের সঙ্গে কথোপকথন, সিনেমা দেখা এবং আরও কত কী! এ তালিকা অতি দীর্ঘ। প্রতিটি কাজেই সঙ্গী হয় মোবাইল ফোন অথবা ল্যাপটপ। বাসে-ট্রেনে-ট্রামে, ঘরোয়া আড্ডায় সর্ব ক্ষণ ঘাড় গুঁজে মোবাইলের পর্দায় তাকিয়ে থাকা যেন জীবনচর্যায় পরিণত হয়েছে। আর এই কারণে ‌ঘাড়ের ব্যথা এখন অনেকের নিত্যসঙ্গী। তবে এই একটিমাত্র কারণেই নয়, চিকিৎসকেরা বলেন, ঘুমোনোর ভুল ভঙ্গিমার কারণেও কিন্তু ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে।

Advertisement

ঘুম থেকে উঠেই ঘাড়ে ব্যথা, এবং ঘাড়ের পেশিগুলি শক্ত হয়ে গেলে অনেকেই ভেবে নেন, আগের দিন একটানা অফিসের কাজ করে হয়তো এই হাল হয়েছে। কিন্তু দিনের পর দিন এমন হতে থাকলে বালিশের দিকে নজর দিন। কারণ, প্রথম প্রথম হওয়া সামান্য ব্যথাই পরবর্তী সময়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিতে পারে। বালিশ যদি ঠিক না থাকে, তা হলে ঘুমের সমস্যাও হতে পারে। এমনকি, নাক ডাকার কারণও হতে পারে ভুল বালিশে শোওয়া! সাধারণত বালিশ বাছার ক্ষেত্রে খুব একটা গুরুত্ব দেন না বেশির ভাগ মানুষই। অথচ বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, বালিশ বাছাইয়েরও রয়েছে বেশ কিছু নিয়মকানুন।

ঘুমের সময় শরীর নিজের মেরামত শুরু করে। তবে বালিশ ভুল হলে কিন্তু ঘাড়ের কাছের পেশিগুলি বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পায় না। পেশিতে টান পড়ে, গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণা হয়, স্পাইনাল ডিস্কের মেরামত ব্যাহত হয়।

খুব শক্ত বা খুব নরম, কোনও বালিশই শোওয়ার উপযুক্ত নয়। দুটোই ঘাড়ের পক্ষে ক্ষতিকর। বেশি উঁচু বালিশ ব্যবহার করার অভ্যাস থাকলে এখনই সতর্ক হোন, কারণ এতে ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বালিশে শোওয়ার সময় কাঁধে যদি বেশি চাপ লাগে, তা হলে সেই বালিশ কিন্তু একেবারেই ব্যবহার করা ঠিক নয়। এর থেকে কাঁধে ও পিঠেও ব্যথা হতে পারে। সাধারণত পুরুষদের কাঁধ একটু বেশি চওড়া হয়। সে ক্ষেত্রে একটু চওড়া বালিশ ব্যবহার করাই ভাল।

কনট্যুর্‌ড সারভাইক্যাল পিলো।

কনট্যুর্‌ড সারভাইক্যাল পিলো। ছবি: সংগৃহীত।

ঘাড়ের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে চিকিৎসকদের মতে ‘কনট্যুর্‌ড সারভাইক্যাল পিলো’ ব্যবহার করা যেতে পারে। এই বালিশগুলির মধ্যভাগ খানিকটা নিচু আর ধারগুলি একটু উঁচু থাকে। এই ধরনের বালিশের দাম প্রায় ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে। ঘাড়ের যন্ত্রণায় বার বার চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। অথচ প্রতি রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা শোয়ার ভঙ্গিমা ঠিকঠাক করতে পারলেই কিন্তু ঘাড়ের ব্যথা সারাতে একাধিক ট্রিটমেন্ট বা ফিজ়িয়োথেরাপির প্রয়োজন পড়বে না।

Advertisement
আরও পড়ুন