Narendra Modi Special Thali

মোদীর জন্য পুষ্টিতে ভরা ৮ পদের ‘শক্তি ভোজ’ বানালেন তারকা রন্ধনশিল্পী! কী আছে, কী নেই তাতে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য তৈরি হল ‘শক্তি ভোজ’। পানীয় থেকে স্টার্টার, মেন কোর্স থেকে মুখসুদ্ধি— সব মিলিয়ে পুষ্টিতে পরিপূর্ণ মেনু তৈরি করা হয়েছে। কী কী রয়েছে তাতে?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ০৯:০৩

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একের পর এক কর্মসূচি, লাগাতার সফর, সভা, বৈঠক— এত কিছুর মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কর্মক্ষমতা বরাবরই আলোচনার বিষয়। বয়স ৭৫ ছুঁলেও তাঁর ফিটনেস তরুণ প্রজন্মকেও দশ গোল দিয়ে দিতে পারে। কোন ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী? সম্প্রতি তাঁর জন্য তৈরি হল ‘শক্তি ভোজ’। পানীয় থেকে স্টার্টার, মেন কোর্স থেকে মুখশুদ্ধি— সব মিলিয়ে পুষ্টিতে পরিপূর্ণ মেনু তৈরি করা হয়েছে। তার দায়িত্ব সামলেছেন তারকা রন্ধনশিল্পী লিউক কিউটিনহো। যাতে পুষ্টির পাশাপাশি স্বাদে বঞ্চিত না হন কেউ, তার খেয়াল রেখেছেন রন্ধনশিল্পী। তাঁর অনুরোধ, সাধারণেরাও যেন এমন খাবারই খান। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ‘শক্তি ভোজ’-এর খুঁটিনাটি দিলেন তিনি।

Advertisement

কী কী আছে সেই ভোজে?

মূলত ৮টি পদ বানানো হয়েছে। সঙ্গে পানীয়, আচার এবং মুখশুদ্ধিও রাখা হয়েছে খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য। দেখে নিন তালিকা।

পানীয়: খাবার পর্যন্ত পৌঁছোনোর আগেই গরমের মরসুমকে মাথায় রেখে দু’রকমের পানীয় তৈরি করা হয়েছে। প্রথমটি আমপান্না, দ্বিতীয়টি তুলসির বীজ দিয়ে তৈরি পুদিনা ও জলজিরার শরবত।

স্টার্টার: প্রথম পাতে ধনে ও পনিরের খাণ্ডবি রাখা হয়েছে। টাটকা ধনে, পনির ও তিলের স্বাদে ভরপুর। মুখে দিলেই গলে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়। বেসনের ভাপে তৈরি সেদ্ধ এই রোল স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদুও।

স্যালাড: হালকা ফোড়ন দিয়ে বানানো হয়েছে এই স্যালাড। তাতে রয়েছে কাঁচা পেঁপে এবং গাজর।

আচার: দু’টি আচারের আয়োজন হয়েছে এই ভোজে। সর্ষেদানা দিয়ে তৈরি চিনেবাদামের আচারে ঝাঁজ ও টকের অপূর্ব মেলবন্ধন হয়েছে। দ্বিতীয়টি বানানো হয়েছে হলুদ ও আদা দিয়ে। এতে কোনও তেল নেই।

মূল খাবার হিসেবে রয়েছে ৫টি পদ—

বেগুনের ভর্তা: বেগুন পুড়িয়ে ছাল ছা়ড়িয়ে অল্প মশলাপাতি মিশিয়ে হাতে মেখে তৈরি করা হয়েছে বেগুনের ভর্তা।

গাভার নু শাক: এক প্রকার শিম তেলে সাঁতলে বানানো হয়েছে এই শাক।

সাদা মাখন দিয়ে বাজরার রুটি: বাজরার রুটির উপর সাদা মাখনের পরত বড়ই লোভনীয় এবং খেলে গায়ে বল মেলে।

ভাত অথবা জোয়ার-মুগের খিচু়ড়ি: নরম, গরম, ধোঁয়া ওঠা, সুগন্ধি ভাত অথবা জোয়ার ও মুগ ডাল সেদ্ধ করে খিচুড়ির কোনও একটি বেছে নিয়ে তার সঙ্গে তরকারি খেতে হবে।

ছাতুর কড়ি: ছাতু ও দই দিয়ে বানানো হয় এই পদটি।

মিষ্টিমুখ ও পানীয় হিসেবে রয়েছে ৩টি পদ—

ফাড়া নী লাপসী: ভাঙা গম, গোঁদ কাটিরা, ঘি, শুকনো আদাগুঁড়ো, কেশর, বাদাম, গুড় দিয়ে তৈরি গুজরাতি মিষ্টি পদ।

জিরের ছাস: এলাহি ভোজনপর্ব শেষ হতে অন্ত্রের জন্য উপকারী দই ও জিরে দিয়ে বানানো ছাসে চুমুক দিলে পেট ভার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

মুখশুদ্ধি: সুগন্ধি মৌরি, ভাজা ধনে, ডিলের বীজ এবং তিসির বীজ দিয়ে প্রথম মুখশুদ্ধি। দ্বিতীয় পাত্রে পানপাতা মোড়া ঘরে তৈরি গুলখণ্ড।

Advertisement
আরও পড়ুন