নোনতা খাবার দেখলেই খাই খাই ভাব? ছবি: শাটারস্টক।
ওজনের কথা ভেবে মিষ্টি ছেড়েছেন। তবে নোনতা খাবারও কিন্তু রোগা হওয়ার পথে বাধা হতে পারে। কাজের ফাঁকে চিপ্স, ভাজাভুজির লোভ সামালানো কঠিন হয়ে পড়ে। নোনতা খাবার দেখলেই যে মন খাই খাই করে, তার নেপথ্যে নানা কারণ থাকতে পারে। মন-মেজাজ ভাল না থাকলে বা শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হলেও নোনতা খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে।
পুষ্টিবিদদের মতে, নোনতা খাবার দেখেই যদি মুখ চালাতে ইচ্ছে করে, তবে সেটা কেবল চোখের খিদে নয়, এর সঙ্গে শারীরিক সমস্যারও যোগ রয়েছে। সাধারণত প্রয়োজনের তুলনায় কম কার্বোহাইড্রেট খেলে, শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যালোরির ঘাটতি হলে নোনতার প্রতি ঝোঁক বাড়ে। তা ছাড়া মানসিক চাপের মাত্রা বেড়ে গেলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। নোনতা খাবারের প্রতি ঝোঁক না কমালে ওজন কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। জেনে নিন, ফিট থাকতে কী ভাবে নোনতা খাবারের প্রতি ঝোঁক কমাবেন।
কার্ব খাওয়া বন্ধ করবেন না: অনেকেই আছেন যাঁরা রোগা হওয়ার জন্য সবার আগে ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে দেন। এটা করলে চলবে না। ডায়েটে পরিমিত মাত্রায় কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট বা জটিল শর্করা রাখতে হবে। জটিল শর্করা মানে দানা শস্য, ওট্স, ডাল জাতীয় খাবার। এর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আর পর্যাপ্ত প্রোটিনও রাখতে হবে ডায়েটে। পেট ভর্তি থাকলে, শরীরে ক্যালোরির ঘাটতি না হলেই নোনতার প্রতি ঝোঁক কমবে।
জল খেতে হবে পর্যাপ্ত মাত্রায়: অনেক সময়ে তেষ্টা পেলেও আমরা খিদে পেয়েছে ভেবে ভুল করি। শরীরে জলের ঘাটতি হলেও নোনতার প্রতি ঝোঁক বাড়ে। তাই সামনে নোনতা খাবার দেখে খেতে ইচ্ছে করলে আগে এক গ্লাস জল খান। তার পরে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এতে তৃষ্ণা মিটবে আর ভাজাভুজি, নোনতা খাবারের প্রতি ঝোঁকও কমবে।
মানসিক চাপ কমান: মানসিক চাপ বাড়লে কিংবা কোনও কারণে উদ্বিগ্ন থাকলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। ফলে নোনতা খাবার খেতে ইচ্ছে করতে পারে। তাই মন-মেজাজ ঠিক রাখতে হবে। তা হলেই নোনতা খাওয়ার প্রবণতা কমবে।