Shanaya Kapoor’s Morning Routine

ভোরে ঘুম ভাঙে না শনায়ার, তবু উঠে ৩টি কাজ করা চাই, সকাল শুরু করেন কোন অভ্যাসে

শুটিংয়ের দিনও সকাল ৮টায় ওঠেন বলি নায়িকা। তবু তাঁর সকালের রুটিন থেকে তিনটি কাজ কখনও বাদ যায় না। গোটা দিনের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে তাঁর এই তিনটি অভ্যাসই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ২০:৫০
শানায়ার কপূরের সকালের অভ্যাস।

শানায়ার কপূরের সকালের অভ্যাস। ছবি: সংগৃহীত।

ভোরে ঘুম ভাঙে না শনায়া কপূরের। কাজে বেরোনোর আগে পর্যাপ্ত সময় থাকে না হাতে। শুটিংয়ের দিনও ৮টায় ওঠেন বলি নায়িকা। তবু তাঁর সকালের রুটিন থেকে তিনটি কাজ কখনও বাদ যায় না। গোটা দিনের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে তাঁর এই তিনটি অভ্যাসই। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘সকালে উঠেই আমি ত্বকচর্চা করি। প্রথমে বরফজলে মুখ ধুই, তার পর পোষ্যের সঙ্গে খেলা করি, আর এই মুহূর্তে আমি চায়ের প্রেমে পড়েছি। ফলে সকালে আয়েস করে চা খাই।’’

Advertisement

শরীরে ও মনে অভ্যাসগুলির প্রভাব

বরফজলে মুখ ধোয়া: বলিউড নায়িকাদের ত্বকচর্চায় বরফজলের ভূমিকা বার বার দেখেছেন অনুরাগীরা। বরফজলে মুখ ডুবিয়ে রাখা বা হিমশীতল জলের ছিটে দেওয়া খুবই জনপ্রিয় হয়েছে রূপচর্চার জগতে। ঘুম কম হলে, মুখ ফুলে থাকলে, চোখের নীচে ফোলা ভাব থাকলে বা ত্বক ক্লান্ত দেখালে হিমশীতল স্পর্শে তৎক্ষণাৎ ত্বক উজ্জ্বল দেখাতে পারে। ঠান্ডার সংস্পর্শে এসে রক্তনালিগুলি সঙ্কুচিত হয়ে যাবে। তা ছাড়া হঠাৎ ঠান্ডা জলের সংস্পর্শে এলে মুখের রক্ত চলাচল উন্নত হতে পারে। ফোলা ভাব কমে ত্বক টানটান হবে। সকালের দিকে যখন মুখ এমনিতেই ফোলা লাগে, তখন এই টোটকা সবচেয়ে বেশি কার্যকর। ফলে শনায়া এই ভাবেই নিজের ত্বককে প্রস্তুত করেন সকাল সকাল।

পোষ্যের সঙ্গে খেলাধুলো করলে মন ভাল থাকে।

পোষ্যের সঙ্গে খেলাধুলো করলে মন ভাল থাকে। ছবি: সংগৃহীত

পোষ্যের সঙ্গে খেলা: পোষ্যের সঙ্গে খেলাধুলো করা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ডোপামাইন ও সেরোটোনিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ বা এন্ডরফিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার প্রিয় পোষ্য। পাশাপাশি স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে যায়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। উদ্বেগে দূর করার জন্য পোষ্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা ভাল। তা ছাড়া পোষ্যের সঙ্গে খেলা করলে সকালে ব্যায়ামের চাহিদাও খানিক পূর্ণ হতে পারে।

চা পান: রোজ সকালটা ক্যাফিন আসক্তি দিয়ে শুরু করলে শরীরে নানা রকম প্রভাব পড়তে পারে। তার উপর যদি চিনি, দুধ মেশানো থাকে, তা হলে গ্যাস-অ্যাসিডের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

চায়ের আগে বা চায়ের সময়ে কোনও খাবার না খেলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তা থেকে পাকস্থলীর ক্ষতি হতে পারে। এতে বুকজ্বালা, বদহজম, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে আলসার ও আয়রনের ঘাটতিও হতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন