Dipika Kakar Weight Loss

ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি ওজন কমালেন দীপিকা, এই রোগে ওজন বৃদ্ধি নাা হ্রাস, কোনটি স্বাস্থ্যকর

দীপিকা ক্র্যাশ ডায়েট বা হঠাৎ কঠোর খাদ্যাভ্যাস রপ্ত করেননি, বরং, ধীরে ধীরে নিজের যাপনের ধরন পাল্টেছেন। তাঁর স্বামী শোয়েব ইব্রাহিমের কথায় জানা যায়, এক মাসে দুই কিলো ওজন ঝরিয়েছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০১
ক্যানসারের চিকিৎসার পর ওজন বৃদ্ধি না হ্রাস, কোনটি স্বাস্থ্যকর?

ক্যানসারের চিকিৎসার পর ওজন বৃদ্ধি না হ্রাস, কোনটি স্বাস্থ্যকর? ছবি: সংগৃহীত।

ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ জারি রয়েছে মুম্বইয়ের টেলি অভিনেত্রী দীপিকা কক্কড়ের। যাপনে বড়সড় বদল আনলেন তিনি। নিজেকে আরও সুস্থ রাখার জন্যই হাঁটাহাঁটি শুরু করেছেন দীপিকা। খাওয়াদাওয়াও বদলে ফেলেছেন তিনি। এক মাসেই প্রায় দুই কেজি ওজন কমিয়েছেন, তা-ও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক উপায়ে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে করতে ওজন হ্রাস করা কি উচিত? জীবনযাপন পুরো পাল্টে ফেলা কি উচিত? তাও কেবল ওজন কমানোর জন্য?

Advertisement

দীপিকা ক্র্যাশ ডায়েট বা হঠাৎ কঠোর খাদ্যাভ্যাস রপ্ত করেননি, বরং, ধীরে ধীরে নিজের যাপনের ধরন পাল্টেছেন। তাঁর স্বামী শোয়েব ইব্রাহিমের কথায় জানা যায়, এক মাসে দুই কিলো ওজন ঝরিয়েছেন তিনি। শোয়েবও নাকি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে, এই লক্ষ্য ভেদ করতে পারবেন তাঁর স্ত্রী। ধাপে ধাপে যাপনে পরিবর্তন এনেছেন তিনি। প্রথমেই তিনি নিজের খাদ্যাভ্যাস পাল্টান। অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দিয়ে সুষম খাবার খাওয়া শুরু করেন। এর পর ধীরে ধীরে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করেন নায়িকা। তার পর হাঁটাহাঁটিতে ব্যস্ত রাখেন নিজেকে। এ বার শক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম করা শুরু করবেন বলে পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তবে নিজের চিকিৎসকের পরামর্শের বাইরে একটি কাজও করছেন না দীপিকা। তাই তাঁর মতো রোগীদের প্রতি দীপিকার আর্জি, চিকিৎসকের সঙ্গে কথা না বলে কোনও পদক্ষেপই যেন না করা হয়।

ক্যানসার চিকিৎসক সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, ওজন কমানো বা বাড়ানো, কোনও বিষয় নিয়েই বিশেষ পদক্ষেপ করা উচিত নয় ক্যানসারের রোগীদের। তাঁর কথায়, ‘‘ক্যানসারের রোগীদের ওজন হ্রাস হয়। সেই কারণেই অনেকে ভাবেন, বেশি খাওয়াদাওয়া করিয়ে ওজন বৃদ্ধি করানো উচিত। কিন্তু এটা আদপে স্বাস্থ্যকর নয়। ওজন বেড়ে গেলে ক্যানসার ফিরে আসার ঝুঁকি থাকে কোলন ক্যানসার এবং স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে।’’ চিকিৎসকের পরামর্শ, বেশি খাওয়ানো নয়, বরং সঠিক খাবার খাওয়ানো উচিত। ক্যানসারের চিকিৎসা চলাকালীন প্রোটিন নির্ভর ডায়েটে থাকা উচিত। যাতে ক্যানসারের চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে যুঝতে পারেন রোগী। স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিলেন ক্যানসার চিকিৎসক, যাতে রোগ ফিরে আসার ঝুঁকি কমে।

শুধু খাওয়াদাওয়া নয়, দৈনন্দিন অভ্যাসেও পরিবর্তন আসে। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি শুনে সাধারণ মনে হলেও, তা অত্যন্ত কার্যকর একটি ব্যায়াম। হঠাৎ কোনও চাপ না দিয়ে, ধীরে ধীরে শরীরকে অভ্যস্ত করে তোলাই দীপিকার লক্ষ্য ছিল।

Advertisement
আরও পড়ুন