ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় বুঁদ হয়ে প্যারাসেলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এক তরুণ পর্যটক। কিন্তু হাওয়ায় ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই দড়ি গেল ছিঁড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রে পড়ে গেলেন পর্যটক এবং তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম) ছড়িয়ে পড়তে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
‘চ্যানেলনিউজ়এশিয়া’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, প্যারাসেলিং করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক তরুণ পর্যটক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক নিরাপত্তারক্ষীও। স্পিডবোটের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়ার পর অ্যাডভেঞ্চারের পথে পা বাড়ান পর্যটক। স্পিডবোটটি সমুদ্রের দিকে কিছুটা এগোতেই হাওয়ায় ভেসে ওঠেন পর্যটক। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই অঘটন ঘটে যায়। দড়ি ছিঁড়ে সমুদ্রে পড়ে যান দু’জনে।
এই ঘটনাটি সম্প্রতি তাইল্যান্ডের ফুকেটের
কামালা সমুদ্রসৈকতে ঘটেছে। জানা গিয়েছে, জলের স্রোত কম থাকায় দু’জনের মধ্যে কারও
বড় রকমের কোনও বিপদ হয়নি। কোনও রকম আঘাতও পাননি তাঁরা। কিন্তু ঘটনার আকস্মিকতায়
মানসিক ধাক্কা পেয়েছেন দু’জনে। তদন্ত করে জানা গিয়েছে, দড়িটি কোনও ভাবে স্পিডবোটের
প্রপেলারের মধ্যে আটকে গিয়েছিল। তাই ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই দড়িটি ছিঁড়ে
যায়। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়তে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অ্যাডভেঞ্চারের পরিষেবার জন্য
যথেষ্ট মূল্য ধার্য করা হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথাও তো সকলের ভাবা উচিত। তাঁদের
ভাগ্য ভাল যে, উচ্চতা বেশি ছিল না। মাঝসমুদ্রে এই ঘটনা ঘটলে বড় বিপদ হতে
পারত।’’